আজ শনিবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ০৭:৩৯ অপরাহ্ন

Logo
শিরোনামঃ
দেশব্যাপী গ্যাস সংকট তীব্র আকার ধারণ

দেশব্যাপী গ্যাস সংকট তীব্র আকার ধারণ

দেশব্যাপী গ্যাস সংকট তীব্র আকার ধারণ

পল্লী জনপদ ডেস্ক॥

এলএনজির দুটি ভাসমান টার্মিনালই অচল, দেশব্যাপী গ্যাসের তীব্র সংকট – বণিক বার্তার প্রধান শিরোনাম এটি। বলা হয় আমদানীকৃত এলএনজি রিগ্যাসিফিকেশনের পর পাইপলাইনের মাধ্যমে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহের জন্য দেশে ভাসমান টার্মিনাল (ফ্লোটিং স্টোরেজ রিগ্যাসিফিকেশন ইউনিট বা এফএসআরইউ) আছে দুটি। সংস্কারজনিত কারণে এর একটি থেকে সরবরাহ বন্ধ রয়েছে নভেম্বর থেকে। কারিগরি ত্রুটির কারণে গতকাল অন্যটি থেকেও গ্যাস সরবরাহ বন্ধ হয়ে পড়ে।

এতে আকস্মিকভাবেই জাতীয় গ্রিডে গ্যাসের সরবরাহ কমে যায়। আরো তীব্র আকার ধারণ করে দেশব্যাপী বিদ্যমান গ্যাস সংকট। বিশেষ করে বন্দরনগরী চট্টগ্রামে সরবরাহ প্রায় পুরোপুরি বন্ধ হয়ে পড়ে। ভোগান্তিতে পড়েন বাণিজ্যিক ও আবাসিক গ্রাহকরা।

চট্টগ্রাম গ্যাসশূন্য, ঘরে বাইরে দুর্ভোগ– সমকালের শিরোনাম। খবরে বলা হচ্ছে চট্টগ্রামের মহেশখালীতে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) ফ্লোটিং স্টোরেজ অ্যান্ড রিগ্যাসিফিকেশন ইউনিটে (এফএসআরইউ) কারিগরি ত্রুটির কারণে আজ শুক্রবার সকাল থেকে চট্টগ্রামে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। শুক্রবার পেট্রোবাংলার পক্ষ থেকে পাঠানো ক্ষুদেবার্তায় গ্যাস সরবরাহ সাময়িক বন্ধের তথ্য জানানো হয়েছে।

গ্যাসের সরবরাহ বন্ধ থাকায় শুক্রবার গোটা চট্টগ্রামের ঘরে ও বাইরে মানুষকে অবর্ণনীয় দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে। গ্যাস সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান আগে থেকে কোনো বিজ্ঞপ্তি প্রচার না করায় এ নিয়ে গ্রাহকদের কোনো প্রস্তুতি ছিল না। ফলে রান্না করতে না পেরে অনেকে দোকান থেকে শুকনো খাবার কিনে খেয়ে দিন পার করেন। অনেক জায়গায় হোটেলে দীর্ঘ সময় লাইনে থেকে লোকজনকে খাবার সংগ্রহ করতে দেখা গেছে। সিএনজি ফিলিং স্টেশনগুলো ঘিরে গাড়ির সারি এত বড় হয়, যেন দূর থেকে পিঁপড়ার সারি মনে হয়েছে। রাস্তায় সিএনজিচালিত গাড়ির সংকট থাকায় নগরীর মোড়ে মোড়ে শত শত মানুষকে কর্মস্থলে যেতে ও বাসায় ফিরতে অপেক্ষা করতে হয়।

গ্যাস সংকটে শুধু আবাসিক কিংবা বাণিজ্যিক নয়, বন্ধ হয়ে পড়ে নগরীর বিভিন্ন শিল্পকারখানা। এছাড়া দেশের অন্যান্য এলাকায় শীতের কারণে গ্যাসের স্বল্প চাপ বিরাজ করছে বলেও জানায় পেট্রোবাংলা।

রমজানের একমাস বাকি, নিত্যপণ্যের দাম কমছেই না উল্টো বাড়ছে – দৈনিক সংবাদের প্রধান শিরোনাম এটি।

বলা হচ্ছে হঠাৎ করে বৃদ্ধি পাওয়া চালের দাম একটুও কমেনি, এখনো বাড়তি দামেই বিক্রি হচ্ছে। নতুন করে বাড়ছে গরুর মাংসের দাম। ডিমের দামও বাড়তি। এমনকি ভরা মৌসুমেও কমেনি সবজির দাম। চিনি, আটা, ডালসহ অন্যান্য নিত্যপণ্যও বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে। দাম নিয়ে নানা ধরণের কথা হচ্ছে, খাদ্যমন্ত্রীর সঙ্গে ব্যবসায়ীদের বৈঠকও হয়েছে। অভিযান চলছে। বারবার বলা হচ্ছে রমজানের আগেই নিত্যপণ্যের দাম কমার কথা। কিন্তু রমজানের একমাস বাকি থাকতে দাম তো কমছেই না উল্টো বাড়ছে।

ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের চিন্তা বিএনপির – দেশ রুপান্তরের শিরোনাম। এতে বলা হয় চলতি মাসের শেষের দিকে সরকারের পদত্যাগের এক দফা দাবি আদায়ে নতুন কর্মসূচির ঘোষণা আসতে পারে বলে জানিয়েছেন বিএনপিসহ সরকারবিরোধী দলগুলোর নেতারা।

তারা বলেন, নির্বাচনের আগে যুগপৎভাবে কর্মসূচি পালন করা হলেও এখন ঐক্যবদ্ধভাবে এক প্ল্যাটফর্মে থেকে কর্মসূচি পালনের চিন্তাভাবনা চলছে। বিএনপি নেতারা জানিয়েছেন, আবার মাঠে নামার আগে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ কারাবন্দি নেতাদের জামিনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। রাজপথের শরিক দলগুলোর পাশাপাশি দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে আলোচনা হচ্ছে।

উপজেলা নির্বাচনে প্রার্থী নিয়ে দোটানায় আ. লীগ – কালের কন্ঠের শিরোনাম। আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী রাখা হবে, নাকি সবার জন্য প্রার্থিতা উন্মুক্ত থাকবে, তা নিয়ে দোটানায় রয়েছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ।

যদি বিএনপি ঘোষণা দিয়ে বা ঘোষণা ছাড়াই কৌশলে নির্বাচনে অংশ নেয়, তাহলে দলীয় প্রতীকে প্রার্থী দেবে ক্ষমতাসীনরা। কিন্তু বিএনপি ও তার সমমনারা যদি নির্বাচনে না আসে তাহলে সদ্যঃসমাপ্ত দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মতোই প্রার্থিতা উন্মুক্ত রাখার কৌশলও নিতে পারে আওয়ামী লীগ। নির্বাচন কমিশনের একাধিক সূত্র জানিয়েছে, আগামী মার্চে রমজানের আগে অথবা এপ্রিলে উপজেলা পরিষদের নির্বাচন শুরু হবে।

Affidavits of MP candidates go unchecked – ইংরেজি দৈনিক নিউ এজের শিরোনাম। খবরটিতে বলা হয় নানা আলোচনা থাকলেও নির্বাচনের আগে প্রার্থীদের হলফনামা নিয়ে দুর্নীতি দমন কমিশন, নির্বাচন কমিশন বা রাষ্ট্রীয় কোন সংস্থা থেকে তেমন কোন তদন্তের লক্ষণ নেই।

হলফনামায় দেখা যায় ক্ষমতায় থাকতে অনেক প্রার্থীর আয় দ্বিগুণ বা তিনগুণ এমনকি কারও কারও আরো বেড়ে গিয়েছে, যে সম্পদের উৎস নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। আবার কারো কারো হলফনামায় দেখা যায় তারা এতোটাই গরীব যে কোন বাড়ি-গাড়ি কিছুই নেই তাদের, এক্ষেত্রে তথ্যের সত্যতা নিয়ে সন্দেহ দেখা দেয়।

নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু হয়নি: অনিয়মে উদ্বেগ; আবারও জানালো যুক্তরাষ্ট্র। নয়া দিগন্তের শিরোনাম এটি। বলা হচ্ছে মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের মুখপাত্র ম্যাথিউ মিলার বলেছেন, বাংলাদেশের নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু হয়নি। নির্বাচনে সব দল অংশগ্রহণ না করাটা দুঃখজনক। বিরোধী রাজনৈতিক দলের হাজারো নেতাকর্মীকে গ্রেফতার ও নির্বাচনের দিন অনিয়মের খবরে যুক্তরাষ্ট্র উদ্বিগ্ন।

গতকাল ওয়াশিংটনে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দফতরের নিয়মিত প্রেস ব্রিফিংয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। মুখপাত্রকে আবারো প্রশ্ন করা হয়, আপনি বলছেন বাংলাদেশের নির্বাচন বিশ্বাসযোগ্য, সুষ্ঠু অথবা অবাধ হয়নি। এটা কি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার টানা চতুর্থ মেয়াদে ক্ষমতায় আসাকে যুক্তরাষ্ট্রের স্বীকৃতি না দেয়ার ইঙ্গিত করছে? জবাবে মিলার শুধু বলেন, ‘না, না।’

চাপে থাকবে রিজার্ভ কমবে ডলার আয় – যুগান্তরে শিরোনাম। বলা হয় জুন পর্যন্ত দেশের বৈদেশিক মুদ্রা বা ডলার আয় কমবে। এর বিপরীতে কঠোরভাবে আমদানি নিয়ন্ত্রণের ফলে বৈদেশিক মুদ্রার খরচও কিছুটা কমবে।

তবে বৈদেশিক ঋণ পরিশোধের চাপ ও সেবা খাতে বৈদেশিক মুদ্রা খরচ বাড়ার চাপ রয়েছে। এসব মিলে ডলার আয়ের চেয়ে ব্যয় বেশি হবে। এতে বৈদেশিক মুদ্রার চলতি হিসাবে ঘাটতি থাকবে। ঘাটতির ডলার খরচ করতে হবে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ থেকে। ফলে রিজার্ভও থাকবে চাপে। একই সঙ্গে বৈদেশিক মুদ্রার সার্বিক হিসাবেও ঘাটতি থাকবে।

তবে দুই খাতেই ঘাটতি আগের চেয়ে কমবে। দেশের সার্বিক অর্থনীতির বিভিন্ন সূচকের জুন পর্যন্ত লক্ষ্যমাত্রা ধরে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হিসাব থেকে পাওয়া তথ্য বিশ্লেষণ করে এমন চিত্র মিলেছে। এছাড়া বুধবার ঘোষিত মুদ্রানীতি ও অন্যান্য প্রতিবেদনেও আছে এসব তথ্য।

Govt keeps going back on its decisions – বায়ু দূষণ প্রসঙ্গে ডেইলি স্টারের শিরোনাম এটি। বলা হয় বায়ু দূষণ নিয়ন্ত্রণের বিষয় আসলে দেখা যায় সরকার বারবার তার সিদ্ধান্ত থেকে পিছু হটে।

২০১৯ সালে পরিবেশ মন্ত্রণালয় পরিকল্পনা করে ২০২৫ সালে মধ্যে মাটির ইট তৈরি বন্ধ করে দেয়ার। কিন্তু সেটা এখন নেয়া হয়েছে ২০২৮ সাল পর্যন্ত। গত বছর ২০ বছরের পুরনো বাস ও ২৫ বছরের পুরনো ট্রাকে নিষেধাজ্ঞা দেয়ার বিষয়টি থেকেও সরে এসেছে সরকার। বিশেষজ্ঞরা বলছে দিনদিন পরিস্থিতি খারাপ হচ্ছে আর কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন না করাটা আরও সঙ্কট তৈরি করছে।

দিনমজুর, ভিক্ষুকের নামে ভুয়া ঋণ – প্রথম আলোর অন্যতম শিরোনাম আজকের। খবরটি রাঙামাটির।

বলা হচ্ছে রাঙামাটিতে ৫০৬ জন দিনমজুর, জেলে, দুস্থ নারী, ভিক্ষুকসহ দরিদ্র মানুষের নামে সোনালী ব্যাংক থেকে ‘জালিয়াতি’ করে ঋণ নেওয়া হয়েছে। ২০১২ থেকে ২০১৪ সালের মধ্যে এই ঋণ নেওয়া হয়। তবে ভুক্তভোগী ব্যক্তিরা ব্যাংকের নোটিশ পাওয়ার পর সম্প্রতি বিষয়টি জানতে পারেন।

পুলিশ জানিয়েছে, তারা তদন্ত করে জালিয়াতি করে ঋণ নেওয়ার ঘটনার সত্যতা পেয়েছে। ভুক্তভোগী ব্যক্তিরা লংগদু উপজেলার ভাসান্ন্যা আদাম ও বগাচতর ইউনিয়নের বাসিন্দা। ঋণ নিতে তাঁদের নামে বিভিন্ন ভুয়া নথিপত্র তৈরি করা হয়েছে।

অন্যান্য খবর

Cutting waste more can make food security easier to achieve – দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের শিরোনাম অপচয় কমিয়ে আনলে খাদ্য নিরাপত্তা অর্জন সহজ হবে। এতে বলা হয় ওয়ার্ল্ড পপুলেশন রিভিউ ইনডেক্সে বাংলাদেশ সবজি উৎপাদনে ১৪তম এবং চাল উৎপাদনে বিশ্বে তৃতীয়। কিন্তু মাথাপিছু অপচয়ের পরিমাণ বছরে ৬৫ কেজি, যা খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতের পথে বাঁধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে। এক্ষেত্রে মাঠে উৎপাদন থেকে ভোগ পর্যন্ত সব ধাপে অপচয় কমিয়ে আনার তাগিদ দিচ্ছে বিশেষজ্ঞরা।

পরীক্ষাতেই আটকে নগর পরিবহণ – কালের কন্ঠের এই খবরে বলা হচ্ছে ঢাকার গণপরিবহন ব্যবস্থাকে একটি ছাতার নিচে নিয়ে এসে পরিচালনা করার লক্ষ্যে বাস রুট রেশনালাইজেশনের প্রবর্তন করে সিটি করপোরেশন।

এই ধারণাটির পরীক্ষামূলক চলাচল এখনো শেষ হচ্ছে না, অথচ দুই বছর পার হয়েছে। পরিবহনসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাস মালিকরা এই পদ্ধতিতে মুনাফার নিশ্চয়তা না পাওয়া এবং পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সিটি করপোরেশন সফল না হওয়ায় এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। ২০২১ সালের ২৬ ডিসেম্বর বাস রুট রেশনালাইজেশনের পরীক্ষামূলক চলাচল শুরু হয়। সূত্র : বিবিসি বাংলা

শেয়ার করুন

© All rights reserved © 2017
Developed By

Shipon