আজ শনিবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ০৮:৪২ পূর্বাহ্ন

Logo
শিরোনামঃ
বিসিসি’র ১৭ নং ওয়ার্ডের জনগণের আস্থার প্রার্থী সাবেক সফল প্যানেল মেয়র পুত্র ‘তামিম হাসান’

বিসিসি’র ১৭ নং ওয়ার্ডের জনগণের আস্থার প্রার্থী সাবেক সফল প্যানেল মেয়র পুত্র ‘তামিম হাসান’

 

বিসিসি’র ১৭ নং ওয়ার্ডের জনগণের আস্থার প্রার্থী সাবেক সফল প্যানেল মেয়র পুত্র ‘তামিম হাসান’

নিজস্ব প্রতিবেদক ॥

আসন্ন বিসিসি নির্বাচন ঘিরে মেয়র ও কাউন্সিলর পদে এবারে নতুন প্রার্থীদের সংখ্যার আধিক্য লক্ষ্য করা গেছে। ইতিমধ্যে নতুন প্রার্থীরা নানা সমাজসেবামুখী কর্মকান্ডের মধ্যদিয়ে জনগণের ভরসা ও আস্থার প্রতিক হয়ে উঠেছেন। ভোটারদের ভালবাসা অর্জনের পূর্বেও নতুনদের অনেকেই জনপ্রতিনিধি হয়ে জনসেবক হিসেবে নিজেকে গড়ার প্রস্ততি নিচ্ছেন। মানুষের ভাগ্যোন্নয়নে ও সুবিধা বঞ্চিত এলাকার উন্নয়নে ভুমিকা রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেই এ নির্বাচনী লড়াইয়ের অংশ হিসেবে নিয়েছেন।তেমনি বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের ৩০ টি ওয়ার্ডের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ ১৭ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী হিসেবে সাবেক একাধিকবার নির্বাচিত পৌরসভা থেকে শুরু সিটি কর্পোরেশনের কাউন্সিলর ও প্যানেল মেয়রের দায়িত্ব পালন করা সাবেক অভিজ্ঞ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব নগর আওয়ামী যুবলীগ এর আহবায়ক মোঃ নিজামুল ইসলাম নিজামের একমাত্র পুত্র তামিম হাসান ইতোমধ্যেই পিতার মতনই স্থানীয়দের ভরসাস্থল হয়ে আস্থা অর্জন করেছেন।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, মানবিক ব্যক্তিত্বসম্পন্ন সুশিক্ষত তামিম হাসান একজন সমাজ সেবক ।তিনি নগরীর সিস্টারসডে প্রাইমারি স্কুল থেকে শিক্ষা জীবন শুরু করে, বরিশাল জিলা স্কুল থেকে এসএসসি, অমৃত লাল দে কলেজ থেকে এইচএসসি এবং ফাইন্যান্স বিষয় নিয়ে বিবিএ, এমবিএ সম্পন্ন করেন সুনামধন্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটি থেকে। সমাজের উন্নয়নে অবহেলিত মানুষের পাশে থেকে ক্যামেরার আড়ালে থেকেই জীবনের গুরুত্বপূর্ণ সময়গুলো অতিবাহিত করে চলেছেন। সেই সেবার ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখতেই স্থানীয় জনগণের উন্নয়নের স্বার্থে তাদের অনুরোধেই মনোনয়নপত্র সংগ্রহপূর্বক দাখিল করেছেন একেবারেই শেষ সময়ে এসে। পিতার পথ অনুসরণ করে পিতার ন্যায় জনগণের কাছে কর্মের মধ্য দিয়ে জনগণের পাশে থাকার জন্যই এবারে অংশ নিচ্ছেন আসন্ন বরিশাল সিটি কর্পোরেশন এর নির্বাচনে ১৭ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থী হিসেবে।

মূলত: একজন জনপ্রতিনিধি হতে নয় একজন সফল জনসেবক হিসেবে মানুষের মাঝে নিজেকে বিলিয়ে দেয়ার প্রয়াসেই তার এ স্বীদ্ধান্ত। এ সমাজ সেবক ১৭ নং ওয়ার্ডবাসীসহ সর্বমহলে ইতিমধ্যে মানবিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে সুপরিচিতি লাভ করেছেন।ওয়ার্ডের স্থানীয়রা জানান, ইতিবাচক মুল্যবোধের অধিকারী সম্পন্ন ব্যক্তিত্ব তামিম হাসান জীবনের গুরুত্বপূর্ণ সময় মানুষকে সেবার মধ্যদিয়ে কাটিয়ে যাচ্ছেন।

ওয়ার্ডবাসীর ভাগ্যয়োন্ননের প্রয়াসে দিন-রাত স্বপ্ন বুনে চলেছেন। তিনি সর্বদা দান-সদকার পাশাপাশি সমাজের গরীব দুঃখী অবহেলিত মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে তাদের দুর্ভোগ লাঘবের প্রচেস্টা অব্যাহত রেখেছেন। ইসলামের খেদমতেও বারংবারই একধাপ এগিয়ে তিনি। স্কুল, কলেজ থেকে শুরু করে বিভিন্ন ধর্মীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রায়সই নানাবিধ চাহিদা সাধ্যমত পূরণ করছেন তিনি।

সমাজ সেবামুখী প্রত্যেক ইতিবাচক কর্মকান্ডে তাকে সক্রিয় অবস্থানেই দেখা যায়। তিনি শুধু এই এলাকায়ই নয়, নিজের সর্বোচ্চ সাধ্যমত বিভিন্ন স্থানের অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে প্রায়সময়ই প্রশংসা কুড়িয়ে চলেছেন। তার এসব কর্মকান্ড অব্যহত থাকুক। এছাড়া চারিদিকে যখন করোনা নামক মহামারীতে মানবিক বিপর্যয় চলে আসে ঠিক সেসময়ে ওয়ার্ডবাসীর পাশে থেকে নানা সামাজিক কর্মকান্ড বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে শুধু প্রশংসাই কুড়ান না বরংচ স্থানীয়দের মাঝে আস্থা ভাজন হিসেবে তাদের মনে জায়গা করে নেন।

স্থানীয় বাসিন্দা ইমরান নামের এক ব্যবসায়ী জানান, বিগত ৪/৫ বছরে ওয়ার্ডের কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন হয়নি বলেই চলে। এলাকাবাসী তাদের কাঙ্খিত সেবার নূন্যতম থেকেও বঞ্চিত হয়েছেন যা পুরো ওয়ার্ডের প্রতিটা এলাকার স্থানীয়দের সাথে কথা বললেই নিশ্চিত হতে পারবেন।

আমরা নতুন কোন জনপ্রতিনিধির অপেক্ষায় রয়েছি। যিনি শুধু বরাদ্দের বাইরে নিজস্ব উদ্যোগেও ঘোচাবেন ওয়ার্ডবাসী’র নানান দুর্ভোগ। একটি নান্দনিক স্মার্ট ওয়ার্ড হিসেবে আমাদের উপহার দিবেন। এদিকে, কয়েকজন বৃদ্ধ ভোটার জানান, ওয়ার্ডে নানা সমাজসেবামুখী কর্মকান্ড বাস্তবায়ন ও ইতিবাচক মুল্যবোধ সম্পন্ন একজন যোগ্য ব্যক্তিত্ব হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন সাবেক কাউন্সিলর ও প্যানেল মেয়র মোঃনিজামুল ইসলাম নিজাম এর ছেলে তামিম হাসান। তার নেতৃত্বে আগামীর ১৭ নং ওয়ার্ড হবে একটি মডেল ওয়ার্ড বলে আমরা আশাবাদী।

কাউন্সিলর পদপ্রার্থী তামিম হাসান বলেন, আমার জন্ম থেকে বেড়ে ওঠা পুরোটাই এই ওয়ার্ডে।এই ওয়ার্ডের প্রতিটি এলাকা থেকে শুরু করে সব অলিগলিতে তার বিচরণ আছে সেই থেকেই। এই ওয়ার্ডের সকল বাসিন্দাদের তার আত্মীয় পরিজন হিসেবে জেনেই বড় হয়েছি। ছোট বেলা থেকেই পিতার এই ওয়ার্ডের প্রতি ভালোবাসা ওয়ার্ডবাসীদের নিয়ে তাদের সমস্যা গুলো কিভাবে চিহ্নিত করে তাদেরকে নিয়েই সমাধান করা গুলো দেখেই বড় হয়েছি। ওয়ার্ডবাসীর সাথে সার্বক্ষনিক যোগাযোগ রাখার মাধ্যমে কিভাবে সুশৃঙ্খল ভাবে ওয়ার্ড টার উন্নয়নের মাধ্যমে উন্নতিকরণের বিষয়গুলোও তিনি দেখেছেন। তার বাবা মোঃ নিজামুল ইসলাম নিজাম সেই পৌরসভা আমল থেকে এই ওয়ার্ডটির বারবার নির্বাচিত কমিশনার। এরপর সিটিতে উন্নতি হয়ে কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়ে প্যানেল মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তাই তিনি জানেন কিভাবে ওয়ার্ডের সুষ্ঠু-সুন্দর একটি পরিকল্পিত গোছালো ওয়ার্ড বিনির্মান করতে হয়। তার অভিজ্ঞতা এবং সকল ওয়ার্ডবাসীর সাথে সমন্বয় করে আরো উন্নতি করে পূর্বের অভিজ্ঞতা থাকায় স্বল্প সময়ে ওয়ার্ডের সঠিক উন্নয়ন করতে পারবো। এই ওয়ার্ডবাসী এখানকার বাসিন্দারা আমার আত্মীয়-পরিজন তারা অবশ্যই তাদের এলাকার স্বার্থে উন্নয়নের স্বার্থে নিজেদের অবস্থান থেকে আমাকেই নির্বাচিত করবেন ইনশাআল্লাহ।

আমি আসন্ন নির্বাচনে নির্বাচিত হলে যুব সমাজকে সাথে নিয়ে ইভটিজিং রোধ করাসহ ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নতিকরণ এবং ওয়ার্ডের মূল সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে সমাধান করার জন্য ওয়ার্ডবাসীর কাছে আমি অঙ্গীকারবদ্ধ।

শেয়ার করুন

© All rights reserved © 2017
Developed By

Shipon