আজ বৃহস্পতিবার, ১৩ Jun ২০২৪, ১০:৩৩ পূর্বাহ্ন

Logo
শিরোনামঃ
তারা কী ধরা-ছোঁয়ার বাইরে থাকবে? সিংহভাগ পুলিশের বিরুদ্ধে দুর্নীতি-অবৈধভাবে সম্পদ অর্জনের অভিযোগ এমপি আনার হত্যা : বেরিয়ে আসছে স্থানীয় আ’লীগ হেভিওয়েট নেতাদের সম্পৃক্ততার খবর জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে হামাস-ইসরায়েল “পরিপূর্ণ যুদ্ধবিরতি” পাস শেখ হাসিনার কারামুক্তি দিবস আজ গৌরনদীতে বিজয়ী প্রার্থীর সমর্থকদের মারধর, বাড়িঘর ভাংচুর-লুটপাট, অগ্নিসংযোগ গৌরনদী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে মনির হোসেন চেয়ারম্যান নির্বাচিত ১৩৭ বছর আগে কলকাতায় জাহাজ ডুবিতে ৭৫০ যাত্রীর মৃত্যু ভারতে চলছে জল্পনা-কল্পনা, মোদীর পর কে আসছেন বিজেপির নেতৃত্বে উত্তাল সাগর, ঘূর্ণিঝড়ের শঙ্কা জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৫তম জন্মবার্ষিকী শনিবার
না ফেরার দেশে চলে গেলেন সাবেক যোগাযোগমন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেন

না ফেরার দেশে চলে গেলেন সাবেক যোগাযোগমন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেন

না ফেরার দেশে চলে গেলেন সাবেক যোগাযোগমন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেন

পল্লী জনপদ ডেস্ক॥

মাাদারীপুর-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও সাবেক যোগাযোগমন্ত্রী আলহাজ্ব সৈয়দ আবুল হোসেন হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রজিউন)। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭২ বছর।

হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে বুধবার রাত ২টার দিকে রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। সৈয়দ আবুল হোসেন ১৯৫১ সালে মাদারীপুরে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি স্ত্রী খাজা নার্গিস, দুই মেয়ে সৈয়দা রুবাইয়াত হোসেন এবং সৈয়দা ইফফাত হোসেনকে রেখে গেছেন। তার মৃত্যুতে ডাসারে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

তিনি পেশায় একজন রাজনীতিবিদ ও ব্যবসায়ী। আবুল হোসেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের হয়ে মাদারীপুর-৩ আসন থেকে ১৯৯১ সালে পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এরপর তিনি সপ্তম, অষ্টম ও নবম সংসদ নির্বাচনে সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এরমধ্যে ২০০৯ থেকে ২০১২ পর্যন্ত আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকারের যোগাযোগ মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। এসময় তিনি অসংখ্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্টা করেছেন।

২০১১ সালের ২৮ এপ্রিল পদ্মা সেতু নির্মাণে বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে ১২০ কোটি ডলারের চুক্তি সই করে সরকার। কিন্তু বছরের শেষ দিকেই তৎকালীন যোগাযোগ মন্ত্রী আবুল হোসেনের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে। পরে ২০১২ সালের ৫ জানুয়ারি যোগাযোগ মন্ত্রীর পদ থেকে সৈয়দ আবুল হোসেন পদত্যাগ করেন। সেতু বিভাগের তৎকালীন সচিব মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়াকেও দায়িত্ব থেকে সরে যেতে হয়।
যদিও ঐ বছরের ২ ফেব্রুয়ারি সেতুর ঠিকাদার নিয়োগে দুর্নীতির কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি বলে প্রতিবেদন দেয় দুদক। কিন্তু ৩০ জুন পদ্মা সেতুর ঋণ চুক্তি বাতিল করে বিশ্বব্যাংক। তবে ৯ জুলাই মন্ত্রিসভার বৈঠকে নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মাণের সিদ্ধান্ত ঘোষণা দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

পরবর্তীতে পদ্মা সেতুতে দুর্নীতির অভিযোগে কানাডার আদালতে একটি মামলা হয়। দীর্ঘ ৫ বছরের বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে ২০১৭ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি কানাডার আদালত জানায়, পদ্মা সেতু প্রকল্পে দুর্নীতির ষড়যন্ত্রের যে অভিযোগ তুলে বিশ্বব্যাংক ঋণ বাতিল করেছিল, তার প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

শেয়ার করুন

© All rights reserved © 2017
Developed By

Shipon