আজ রবিবার, ২৩ Jun ২০২৪, ০৭:০০ পূর্বাহ্ন

Logo
বাংলাদেশের রাজনীতিতে হঠাৎ মাঠ উত্তপ্ত

বাংলাদেশের রাজনীতিতে হঠাৎ মাঠ উত্তপ্ত

 

বাংলাদেশের রাজনীতিতে হঠাৎ মাঠ উত্তপ্ত

পল্লী জনপদ ডেস্ক॥

আজ বড় দুই দলের সমাবেশকে ঘিরে যুগান্তরের প্রধান শিরোনাম “কূটনীতি-রাজনীতিতে ঝড়ো হাওয়া”। প্রতিবেদনে মূলত বাংলাদেশের আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে যে কূটনৈতিক তৎপরতা চলছে তারমধ্যে রাজনীতিতে মাঠ উত্তপ্ত হয়ে ওঠার খবর উঠে এসেছে।

বাংলাদেশে কিভাবে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন হবে সে বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইইউ প্রতিনিধিদলের তৎপরতা দৃশ্যমান। যুক্তরাষ্ট্রের আন্ডার সেক্রেটারি উজরা জেয়ার নেতৃত্বে শক্তিশালী মার্কিন প্রতিনিধিদল মঙ্গলবার ঢাকায় পৌঁছেছে। তারা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং বিএনপির সঙ্গে বৈঠক করবে।

বিশ্লেষকদের মতে, দেশে কূটনীতি ও রাজনীতিতে ঝড় শুরু হয়েছে। সাধারণ মানুষের প্রশ্ন, এই ঝড়ের শেষ কোথায়। তারা জানতে চান, এবারই সংকটের সমাধান হবে না আরও বড় ঝড় উঠবে।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন মার্কিন প্রতিনিধিদের এ সফরে ভূরাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত স্বার্থের বিষয়টি প্রচ্ছন্নভাবে আসতে পারে। তবে এ ইস্যুতে বাংলাদেশ ভারসাম্যপূর্ণ সম্পর্ককেই গুরুত্ব দিয়ে আসছে।

একই বিষয়ে দ্য ডেইলি স্টারের প্রধান শিরোনাম, “AL, BNP put on a show of strength” অর্থাৎ “আওয়ামী লীগ, বিএনপির শক্তি প্রদর্শন”। প্রতিবেদনে, দুই দল তাদের পক্ষে সমর্থন আদায়ে রাজপথে সক্রিয় হয়ে ওঠার নানা দিক উঠে আসে।

সেইসাথে এই সমাবেশ এমন এক সময়ে হচ্ছে যখন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিনিধিদল আগামী বছরের জানুয়ারিতে অনুষ্ঠেয় জাতীয় নির্বাচনের পরিবেশ মূল্যায়ন করতে এখানে এসেছে।

বিএনপি নেতারা ঢাকার নয়াপল্টনে সমাবেশ করে, আনুষ্ঠানিকভাবে সরকারের কাছে নির্দলীয় নির্বাচনকালীন সরকারের অধীনে নবিার্চনের এক দফা দাবি ঘোষণা করবেন।

বিদেশি প্রতিনিধি দল থাকাকালীন তারা এই ঘোষণা দেবেন এবং তারা একটি বিশাল জনসমাগম চায় যেন জনগণ তাদের দাবি সমর্থন করে।

অন্যদিকে, সোমবার বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের গেটের কাছে বিশাল জনসভা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। মূলত ইউরোপীয় প্রতিনিধি দলের সাথে বৈঠকের আগে দলটি তাদের শক্তি এবং জনপ্রিয়তা দেখানোর জন্য একটি বিশাল সমাবেশ ডেকেছে।

মাঠ প্রশাসন নিয়ে প্রথম আলোর প্রধান শিরোনাম, “ভোটের আগে ‘পছন্দ মতো’ প্রশাসন সাজাচ্ছে সরকার”। প্রতিবেদনে মূলত জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে বাংলাদেশের ২৮ জেলায় গত পাঁচ দিনে নতুন জেলা প্রশাসক নিয়োগের খবরটি উঠে এসেছে।

হঠাৎ এই জেলা প্রশাসকেরা গুরুত্বপূর্ণ হয়েও ওঠার কারণ হিসেবে বলা হচ্ছে তারা নির্বাচনের সময় রিটার্নিং কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করেন। এ কারণে নির্বাচনের প্রাক্কালে এসব নিয়োগ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে কৌতূহল বেশি থাকে।।

এছাড়া ভোটের সময় এবং তার আগে পুলিশ সুপার, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের মাঠ প্রশাসনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা থাকে। গত মাসে পুলিশ সুপার পদেও ১৩ জন বদলি হয়েছেন একই সময়ে ইউএনও পদে নতুন নিয়োগ পেয়েছেন ৪৫ জন ।

রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা হচ্ছে সরকার নির্বাচনের আগে পছন্দের কর্মকর্তাদের দিয়ে মাঠ প্রশাসন সাজাচ্ছে। এর মধ্যে ডিসি পদে নিয়োগ আলোচনায় গুরুত্ব পাচ্ছে বেশি। নতুন ডিসিদের মধ্যে সাতজনই বিভিন্ন মন্ত্রী ও সচিবের একান্ত সচিব। প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়, মন্ত্রী পরিষদ বিভাগ, জনপ্রশাসন ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে কর্মরত ১১ জন কে বার জেলা প্রশাসন করা হয়েছে।

এছাড়া বেশিরভাগ দৈনিকে বড় দুই দলের সমাবেশকে প্রধান শিরোনাম করা হয়েছে তাই পত্রিকাগুলোর অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ খবরে নজর দেয়া যাক। যেমন সমকালের প্রথম পাতায় তথ্য ফাঁস নিয়ে খবর, “বিনিয়োগ হাজারো কোটি টাকা, মিলছে না সুফল”।

প্রতিবেদনে সরকারের অব্যবস্থাপনার কারণে দুর্বল প্রযুক্তি পরিকাঠামোর চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। যার কারণে হাজার হাজার কোটি টাকা খরচ করেও দেশের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সুরক্ষিত থাকছে না। রাষ্ট্রীয় ও নাগরিক তথ্য বেহাত হওয়ায় নিরাপত্তা বিঘ্নিত হচ্ছে।

দেশে ডিজিটাল নেটওয়ার্ক, অবকাঠামো এবং দক্ষ জনসম্পদ গড়ে তুলতে ২০১০ সাল থেকে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ প্রায় ২৫ হাজার কোটি টাকার প্রকল্প গ্রহণ করে। এর মধ্যে অনেক প্রকল্প সমাপ্ত হয়েছে। কিছু চলমান রয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এত বিনিয়োগের পরও অপরিকল্পিত উদ্যোগ এবং অব্যবস্থাপনায় নাগরিকের তথ্যের সুরক্ষা মিলছে না।

সুবিবেচনা ছাড়াই প্রকল্প গ্রহণ, দুর্নীতি ও অব্যবস্থাপনার কারণে দুর্বল প্রযুক্তি পরিকাঠামো গড়ে উঠছে। পাশাপাশি দায়িত্বহীনতা ও অদক্ষতার কারণে পরিকাঠামোগুলো অরক্ষিত হয়ে পড়ছে। তাই সরকারি সংস্থাগুলোর তথ্য চুরি হচ্ছে।

ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ে কালের কণ্ঠের দ্বিতীয় প্রধান শিরোনাম, “ঢাকার বাইরে অর্ধেক রোগী ১০ জেলায়”। প্রতিবেদনে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডেঙ্গুবিষয়ক নিয়মিত উপাত্ত বিশ্লেষণ তুলে ধরে বলা হয়েছে, চলতি মাসের প্রথম ১০ দিনে ঢাকার বাইরে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে দুই হাজার ৭০৬ জন। এর আগের ১০ দিনে ভর্তি হয়েছিল ৬৭৪ জন। অর্থাৎ ১০ দিনের ব্যবধানে ঢাকার বাইরে ডেঙ্গু রোগী বেড়েছে চার গুণ।

ঢাকার বাইরে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, ডেঙ্গুর বিস্তার ঘটেছে ৬১ জেলায়। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি ৫০ শতাংশ রোগী রয়েছে ১০ জেলায়। জেলাগুলো হল চট্টগ্রামে, ফরিদপুরে, পটুয়াখালীতে, পিরোজপুরে, গাজীপুরে, মাদারীপুরে, চাঁদপুরে, ভোলায়, লক্ষ্মীপুরে এবং শরীয়তপুর।

তিন জেলায় এখনো কোনো রোগী পাওয়া যায়নি। এসব জেলা হচ্ছে গোপালগঞ্জ, চুয়াডাঙ্গা ও সুনামগঞ্জ।

মুল্যস্ফীতি নিয়ে বণিক বার্তার প্রথম পাতার খবর, “১৬ মাস ধরে নেতিবাচক প্রবৃদ্ধিতে খাদ্য শিল্পের উৎপাদন”। প্রতিবেদনে মূলত, মূল্যস্ফীতির প্রভাবে ক্রেতার ক্রয় সক্ষমতা কমে আসা, সেইসাথে কাঁচামালের মূল্যবৃদ্ধি ও ডলার সংকটে আমদানি ব্যাহত হওয়ায় শিল্পের কাঁচামাল আমদানি বিঘ্নিত হওয়ায় দেশের বৃহৎ ও মাঝারি খাদ্য শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোর উৎপাদন কমার বিষয়টি উঠে এসেছে।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) উপাত্তের ভিত্তিতে তৈরি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সর্বশেষ ত্রৈমাসিক প্রতিবেদনে দেখা গিয়েছে টানা ১৬ মাস ধরে এ শিল্পসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর উৎপাদন কমে আসছে বলে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরিসংখ্যানে উঠে এসেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

দেশের উৎপাদন খাতের বৃহৎ ও মাঝারি শিল্পের উৎপাদন প্রবৃদ্ধি নিয়ে নিয়মিতভাবেই হিট ম্যাপ উপস্থাপন করছে বাংলাদেশ ব্যাংক। সেখানে দেখা গিয়েছে মানুষের মৌলিক খাদ্যপণ্যের ক্রয় ক্ষমতা যতো সংকুচিত হচ্ছে ততোই তার প্রভাব পড়েছে অন্যান্য খাদ্যজাত পণ্যের ভোগের ওপর।

মাদক পরিস্থিতি নিয়ে দৈনিক ইত্তেফাকের প্রধান শিরোনাম, “মাদকের টাকায় নিয়ন্ত্রিত স্থানীয় রাজনীতি”। এই প্রতিবেদন মূলত বলা হচ্ছে বাংলাদেশের স্থানীয় রাজনীতি ও নির্বাচন মাদকের টাকায় কতটা নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে।

ইউনিয়ন পরিষদের এক শ্রেণীর মেম্বার, চেয়ারম্যান, উপজেলার চেয়ারম্যানরা মাদক ব্যবসায় সম্পৃক্ত বলে প্রতিবেদন উল্লেখ করা হয়। স্থানীয় প্রশাসনের এক শ্রেণীর কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও মাদকের টাকার ভাগ পান নিয়মিত। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের এক এক শ্রেণীর কর্মকর্তাও মাদক ব্যবসার সাথে প্রত্যক্ষ পরোক্ষভাবে জড়িত।

স্থানীয় পুলিশ জানে এবং তাদের কাছে তালিকা রয়েছে মাদক ব্যবসার সঙ্গে কারা জড়িত টাকার ভাগ পাওয়ার কারণে তারা চুপ। পুলিশ র‍্যাব সহ আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর তৎপরতার কারণে সড়কপথে মাদকের চালান বেশি আসছে না। তবে আকাশ পথে আসছে দেদার। কিছু চালান ধরা পড়লেও বেশ কিছু থাকছে অধরা এবং মূল হোতারা থাকছেন পর্দার অন্তরালে।

রোহিঙ্গা প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বক্তব্য নিয়ে নিউ এইজের প্রথম পাতার খবর, “PM expects Myanmar to take back Rohingyas soon” অর্থাৎ “মিয়ানমার শিগগিরই রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নেবে বলে আশা করছেন প্রধানমন্ত্রী”।

সোমবার রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে জনস্বাস্থ্য ও কূটনীতি বিষয়ক দুই দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি সেখানে বলেন বাংলাদেশে বসবাসকারী এই বিশাল জনসংখ্যা সবসময়ই এই অঞ্চলের জন্য একটি মানবিক সংকট এবং নিরাপত্তার উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। শুধু মিয়ানমারে তাদের নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবর্তন নিশ্চিত করতে পারলেই একটি টেকসই সমাধান নিশ্চিত করতে পারে বলে প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন।

এসময় প্রধানমন্ত্রী কোভিড মহামারী চলাকালীন বাংলাদেশে অবস্থানরত ১২ লাখ রোহিঙ্গাকে চিকিৎসা সেবা দেয়া, বিভিন্ন উন্নয়ন সহযোগীদের সহায়তায় বাংলাদেশ তাদের নিয়মিত চেক-আপ, টিকাদান এবং স্বাস্থ্যসেবা প্রদানের ব্যাপক প্রস্তুতির কথা তুলে ধরেন।

অন্যান্য খবর

বণিক বার্তার প্রথম পাতার খবর, “অতিরিক্ত কীটনাশকে বদলে যাচ্ছে এডিস মশার আচরণ”। প্রতিবেদনে ডেঙ্গুর জীবাণুবাহক এডিস মশার টিকে থাকার বৈশিষ্টে নানা ধরণের পরিবর্তনের কথা উঠে এসেছে।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, আগে ডেঙ্গুর জীবাণুবাহক এডিস মশা শুধু দিনে কামড়াত, এখন রাতে কামড়ানোর চিত্রও দেখা যাচ্ছে। এ মশা আগে ডিম পাড়ত স্বচ্ছ পানিতে, এখন ডিম পাড়ছে ময়লা পানিতেও।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নানামুখী চাপে আচরণ বদলাতে বাধ্য হয়েছে এডিস মশা। বিশেষ করে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের কীটনাশকনির্ভর মশা নিয়ন্ত্রণের পদ্ধতি, অপরিকল্পিত নগরায়ণ, জলবায়ু পরিবর্তনজনিত কারণে আচরণ বদলাতে বাধ্য হয়েছে এ মশা।

যদিও সিটি করপোরেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, রাজধানীতে ডেঙ্গু তুলনামূলক নিয়ন্ত্রণে রয়েছে শুধু কীটনাশক প্রয়োগের কারণেই। এডিস মশার আচরণ এতটাই বদলে গেছে তাতে নতুন শঙ্কা সৃষ্টি হয়েছে। এতে ভয়ংকর হয়ে উঠছে দেশের ডেঙ্গু পরিস্থিতি।

নয়া দিগন্তের প্রথম পাতার খবর, “আবারো ঢাকা ওয়াসার এমডি হচ্ছেন তাকসিম এ খান!” প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, এবারে সপ্তমবারের মতো তার পদের মেয়াদ বাড়ানো হল।

মঙ্গলবার ঢাকা ওয়াসা বোর্ডের ৩০৬তম বৈঠকে এ সংক্রান্ত প্রস্তাব মন্ত্রণালয়ে পাঠানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানা গেছে।

বিদ্যমান চুক্তি অনুযায়ী তাকসিম এ খানের মেয়াদ এ বছরের ১৩ অক্টোবর শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। বোর্ড সভার প্রস্তাবে সরকার অনুমোদন দিলে আরো তিন বছর অর্থাৎ ২০২৬ সালের ১৪ অক্টোবর পর্যন্ত এমডি থাকতে পারবেন তাকসিম এ খান।

পাশাপাশি টানা ১৭ বছর ঢাকা ওয়াসার এমডি পদে থাকার ঐতিহাসিক রেকর্ডও গড়বেন তিনি।

গতকাল ওয়াসা ভবনে বোর্ড সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় মোট ১৩ সদস্যের মধ্যে মাত্র সাতজন উপস্থিত ছিলেন। এর মধ্যে তিনজন সদস্য তাকসিম এ খানকে পুনঃনিয়োগ দেয়ার বিষয়ে নোট অব ডিসেন্ট দেন।

তাদের আপত্তির বিষয়টি আমলে না নিয়ে তাকসিম এ খানকে আবারো এমডি নিয়োগ দিতে মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠানোর সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করে। মন্ত্রণালয় এ প্রস্তাব চূড়ান্ত করলে আবারো তিন বছরের জন্য নিয়োগ পাবেন তাকসিম এ খান।

রুপিতে লেনদেন নিয়ে যুগান্তরের পেছনের পাতার খবর, “প্রথম দিনে ২৮ মিলিয়নের এলসি খুলল ২ প্রতিষ্ঠান”। প্রতিবেদনে, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে রুপিতে লেনদেন শুরু খবরটি উঠে এসেছে।

উদ্বোধনের দিনে স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়ার মাধ্যমে রুপিতে দুটি প্রতিষ্ঠান রপ্তানি ও আমদানির এলসি খুলেছে। তামিম এগ্রো লিমিটেড ১৬ মিলিয়ন রুপির বেশি রপ্তানির এলসি এবং নিতা কোম্পানি লিমিটেড প্রায় ১২ মিলিয়ন রুপির আমদানির এলসি খুলেছে। দুপুরে রাজধানীর একটি হোটেলে রুপিতে লেনদেনের উদ্বোধন করা হয়।

প্রথম আলোর প্রথম পাতার খবর, “নির্বাচন নিয়ে ইসির প্রস্তুতি সম্পর্কে জানলো”

প্রতিবেদনে মূলত নির্বাচন কমিশন আগামী জাতীয় নির্বাচনে সুষ্ঠু নির্বাচন করতে সক্ষম কিনা তা ইইউ এর প্রাক নির্বাচন পর্যবেক্ষক দল যাচাই করতে এসেছে- সেই খবরটি উঠে এসেছে। তারা মূলত নির্বাচন কমিশনের প্রস্তুতি সক্ষমতার বিষয়ে ধারণা নিয়েছে।

ঢাকা সফরত ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রাক নির্বাচন পর্যবেক্ষক দল মঙ্গলবার ঢাকার আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে ইসের সঙ্গে বৈঠক করে। নির্বাচনের কারিগরি ও আইনি বিষয়ে আরো জানতে কর্মকর্তাদের সঙ্গে আবারো বৈঠক করবে।

ডিসেম্বরের শেষে আগামী বছরের জানুয়ারির প্রথম দিকে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এ নির্বাচনকে সামনে রেখে বাংলাদেশ সরকারের আমন্ত্রণে নির্বাচনের পরিবেশ ও নির্বাচন পূর্ব রাজনৈতিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করতে দলটি কত শনিবার ১৬ দিনের সফরে ঢাকায় আসে।

সমকালের পেছনের পাতার খবর, “নাম বদলাতে চায় ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়”। প্রতিবেদনে, ‘রয়েল ইউনিভার্সিটি ঢাকার পর বেসরকারি ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তনের খবরটি উঠে এসেছে।

বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ব্র্যাকের প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত স্যার ফজলে হাসান আবেদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে তাঁর নামে বিশ্ববিদ্যালয় করার জন্য সরকারের কাছে আবেদন করেছে। তাদের প্রস্তাবিত নাম ‘স্যার ফজলে হাসান আবেদ ইউনিভার্সিটি’, যা সংক্ষেপে করা হয়েছে ‘আবেদ ইউনিভার্সিটি’।

ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের ওই আবেদনের ওপর মতামত দিতে সেটি বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনে (ইউজিসি) পাঠিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। তবে ইউজিসি এখনও এ বিষয়ে মতামত সরকারকে জানায়নি। গত মে মাসে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি কর্তৃপক্ষ নাম পরিবর্তনের আবেদন করে।

২০০১ সালে রাজধানীর বনানীতে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি প্রতিষ্ঠিত হয়। বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়টির শিক্ষার্থী ১৩ সহস্রাধিক। তবে ইউনিভার্সিটির নাম পরিবর্তন নিয়ে বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থীদের একটি অংশের উদ্বেগ রয়েছে। তাদের শঙ্কা, নাম পরিবর্তন হলে সনদ নিয়ে জটিলতা তৈরি হতে পারে। সূত্র : বিবিসি বাংলা

শেয়ার করুন

© All rights reserved © 2017
Developed By

Shipon