আজ শুক্রবার, ০১ মার্চ ২০২৪, ০৭:০৬ পূর্বাহ্ন

Logo
ভাঙন ঠেকাতে দলের ‘কৌশল’ সফল : বিএনপি

ভাঙন ঠেকাতে দলের ‘কৌশল’ সফল : বিএনপি

 

ভাঙন ঠেকাতে দলের ‘কৌশল’ সফল : বিএনপি

পল্লী জনপদ ডেস্ক॥

যুগান্তরের শিরোনাম ‘ঢাকায় ১০ ডিসেম্বর সমাবেশের চিন্তা’। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, ভাঙন ঠেকাতে দলের ‘কৌশল’ সফল হয়েছে বলে মনে করছেন বিএনপি নেতারা। বৃহস্পতিবার মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময় শেষ হলে রাতে সিনিয়র নেতাদের ভার্চুয়াল বৈঠকে এমন পর্যবেক্ষণ উঠে আসে।

সরকার পদত্যাগের একদফা দাবি আদায়ে হরতাল ও অবরোধের পাশাপাশি ভিন্ন কর্মসূচিও পালন শুরু করেছে বিএনপি। বিশ্ব মানবাধিকার দিবস উপলক্ষ্যে ১০ই ডিসেম্বর ঢাকায় সমাবেশ করার চিন্তা করছে দলটি।

গুম-খুন, সাজা, কারাবন্দি ও নির্যাতিত পরিবারের সদস্যদেরও এ কর্মসূচিতে রাখার বিষয়ে প্রস্তাব করা হয়েছে। এ নিয়ে চলতি সপ্তাহে সমমনা দল ও জোট নেতাদের সঙ্গে আলোচনায় বসার কথা রয়েছে।

এছাড়া গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার চলমান আন্দোলনে নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধিত এবং অনিবন্ধিত মোট ৬০টি দল দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন বর্জন করছে বলে জানিয়েছে বিএনপি। এসব দলকে বিএনপির পক্ষ থেকে ধন্যবাদ জানিয়ে চলমান আন্দোলনকে আরও বেগবান করতে তাদের সঙ্গে যোগযোগ শুরু করেছে দায়িত্বশীল নেতারা।

দেশ রূপান্তরের প্রধান শিরোনাম ‘গাজীপুর মডেলে সংসদ নির্বাচন’। পত্রিকাটি বলছে, চলতি বছরের মাঝামাঝি অনুষ্ঠিত গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনের আদলেই জাতীয় নির্বাচনের নকশা সাজিয়েছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। দলটির নেতৃত্বাধীন সরকারের এ মেয়াদে নির্বাচন নিয়ে নানা বিতর্কের মধ্যেও গাজীপুর নির্বাচন উৎসবমুখর হয়েছে। ভোটকেন্দ্রে ভোটার উপস্থিতিও সন্তোষজনক।

বিএনপি এ সমমনা দলগুলো অংশ না নিলেও গাজীপুরের নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক হয়েছে বলে এক ধরনের স্বীকৃতি পেয়েছিল। এ কারণেই দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে গাজীপুর ডিজাইন অনুসরণ করতে চায় আওয়ামী লীগ।

দলটির নেতারাও বলছেন, গাজীপুর মডেলে নির্বাচন করার মূল লক্ষ্য তিনটি। প্রথমত ভোটের মাঠে উৎসব, দ্বিতীয়ত কেন্দ্রে ভোটার উপস্থিতি ঘটানো এবং তৃতীয়ত নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক করা। তারা মনে করছেন, তাদের এ লক্ষ্য পূরণ করবে স্বতন্ত্র প্রার্থী দেওয়ার কৌশল।

কিন্তু বিশ্লেষকরা বলছেন, দেশের অন্যতম বড় দল বিএনপিকে বাইরে রেখে আর যাই হোক, অংশগ্রহণমূলক ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হবে না। তাছাড়া গাজীপুরের নির্বাচন ছিল স্থানীয় সরকারের একটি প্রতিষ্ঠানের নির্বাচন। সেটার সঙ্গে জাতীয় নির্বাচনের মিল খোঁজা অবান্তর।

বাংলাদেশে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে দৈনিক সমকালের প্রধান শিরোনাম ‘ওসি ইউএনওদের বদলির নির্দেশ নির্বাচন কমিশনের’। খবরে বলা হচ্ছে, বর্তমান কর্মস্থলে এক বছরের বেশি সময় দায়িত্ব পালন করছেন, এমন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং থানায় ছয় মাসের বেশি দায়িত্ব পালন করছেন, এমন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের (ওসি) বদলি করাতে চায় নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

বদলির প্রস্তাব আগামী পাঁচই ডিসেম্বরের মধ্যে ইসিতে পাঠাতে জনপ্রশাসন ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পৃথক চিঠি দেওয়া হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার ইসির উপসচিব (চলতি দায়িত্ব) মিজানুর রহমানের সই করা এ সংক্রান্ত দুটি চিঠি দুই মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।

ইউএনও বদলির বিষয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিবকে পাঠানো ইসির চিঠিতে বলা হয়েছে, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে অনুষ্ঠানের জন্য সব ইউএনওকে পর্যায়ক্রমে বদলির সিদ্ধান্ত দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

নির্বাচনে সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন ইউএনওরা। ইতিমধ্যে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপনও জারি করা হয়েছে। এখন ইউএনওদের রদবদল করা হলে নতুন করে প্রজ্ঞাপন জারি করতে হবে।

এর আগে ওসি বদল বিষয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের জ্যেষ্ঠ সচিবকে পাঠানো ইসির চিঠিতে বলা হয়, আসন্ন জাতীয় নির্বাচন সুষ্ঠু করার জন্য সব থানার ওসির পর্যায়ক্রমে বদলি করার জন্য নির্বাচন কমিশন সিদ্ধান্ত দিয়েছে।

জিএসপি নিয়ে ইউরোপীয় কমিশনের মূল্যায়ন রিপোর্টে ‘ব্যবসায়ীদের উদ্বেগ বাড়ছে’ মানবজমিনের প্রধান শিরোনাম। খবরে বলা হচ্ছে, সম্প্রতি একটার পর একটা বৈশ্বিক ইস্যু এসে পড়ছে বাংলাদেশের ওপর। এরমধ্যে শ্রমিক অধিকার প্রশ্নে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের ঘোষিত নতুন নীতি (স্মারক)। অন্যটি হলো- জিএসপি নিয়ে ইউরোপীয় কমিশনের (ইইউ) মূল্যায়ন রিপোর্ট।

উভয় রিপোর্টেই বাংলাদেশের মানবাধিকার ও শ্রম অধিকার নিয়ে উদ্বেগ জানানো হয়েছে। এর ফলে বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞাসহ নানা ধরনের নিষেধাজ্ঞা দেয়া হতে পারে বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। অন্যদিকে ইইউতে বাংলাদেশের অগ্রাধিকারমূলক বাজার সুবিধা বা জিএসপি অব্যাহত রাখা হুমকির মুখে।

রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট বিবেচনায় এই দুই রিপোর্ট নিয়ে শঙ্কিত হওয়ার যথেষ্ট কারণ রয়েছে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন বিশ্লেষকরা। পাশাপাশি জাতিসংঘ, যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, বৃটেন, তুরস্ক বা অন্য কোনো নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে, এমন দেশের ব্যাংকগুলোর লেনদেন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে ব্যর্থ হতে পারে।

এ ধরনের ঘোষণা বাংলাদেশের জন্য বড় সতর্কবার্তা। অথচ ব্যবসায়ীদের উৎকণ্ঠার বিপরীতে বিষয়টিকে আমলেই নিচ্ছে না সরকার।

‘প্রশান্তির যাদুকাটা এখন মন খারাপের নদী’ কালের কণ্ঠের প্রধান শিরোনাম। এই খবরটিতে বলা হচ্ছে, প্রতিদিন অন্তত ৮০টি ড্রেজার এবং ৪০০টির বেশি সেইভ মেশিন খুবলে নিচ্ছে নদীর পার, তীরবর্তী ফসলি জমি, গোচারণভূমি, বাড়ির আঙিনা। উত্তোলন করা হচ্ছে বালু-পাথর।

পরিবেশবাদীদের চাপে ইজারাদারকে নোটিশ পাঠিয়ে স্থানীয় প্রশাসন আপাতত চুপচাপ আছে। পরিবেশবাদীরা বলছেন, যাদুকাটা নদীর এই ধ্বংসযজ্ঞ গোটা হাওরাঞ্চলের পরিবেশ বিপর্যয়ের কারণ হয়ে উঠছে।

ভারতের মেঘালয় রাজ্যের খাসিয়া পাহাড় থেকে উৎপত্তি যাদুকাটা নদীর। এটি সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার বারেকটিলা ও লাউড়েরগড় এলাকার মাঝ দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।

জেলা প্রশাসনের ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, যাদুকাটা নদীর দৈর্ঘ্য পাঁচ কিলোমিটার আর গড় প্রস্থ ৫৭ মিটার (১৮৭ ফুট)। উপজেলা পরিষদ ও সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের তথ্য অনুযায়ী, কয়েক বছর ধরে পার কাটতে কাটতে এখন এই নদীর গড় প্রস্থ এক কিলোমিটারের বেশি।

প্রথম আলোর শিরোনাম ‘আ.লীগের স্বতন্ত্র প্রার্থীর কৌশল নিয়ে নাখোশ দলীয় প্রার্থীরা’। এখানে বলা হচ্ছে, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থীর কারণে নৌকা প্রতীক নিয়েও হেরে বসতে পারেন অনেকে—এমন দুশ্চিন্তা দেখা দিয়েছে দলের মনোনীত প্রার্থীদের মধ্যে; আছে সংঘাতের আশঙ্কাও।

নীতিনির্ধারকদের কেউ কেউ মনে করছেন, এর মাধ্যমে দলের তৃণমূলে একটা স্থায়ী বিভক্তি তৈরি হতে পারে। যা জোড় লাগাতে হিমশিম খেতে হবে।

এরই মধ্যে গত বৃহস্পতিবার রাতে শরীয়তপুর-২ আসনের নড়িয়া এলাকায় আওয়ামী লীগের দলীয় প্রার্থী ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় শতাধিক ককটেল বিস্ফোরণে দুই পক্ষের অন্তত পাঁচজন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

শরীয়তপুর-২ আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়েছেন বর্তমান সংসদ সদস্য ও পানিসম্পদ উপমন্ত্রী এনামুল হক শামীম। তিনি ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ও আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক।

অন্যদিকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন যুবলীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য খালেদ শওকত আলী। তিনি এই আসনের প্রয়াত সাবেক সংসদ সদস্য ও ডেপুটি স্পিকার শওক আলীর ছেলে। এই দুই প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে।

ইংরেজি পত্রিকা দ্য ডেইলি স্টারের শিরোনাম ‘Independents all-time high’. খবরে বলা হচ্ছে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রেকর্ডসংখ্যক স্বতন্ত্র প্রার্থী অংশ নিচ্ছেন। নির্বাচনের কমিশন (ইসি) থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী এই নির্বাচনে ৭৪৭ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। বিশ্লেষকেরা মনে করছেন, নির্বাচনে ভোটরদের উপস্থিতি বাড়াতে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ এই সুযোগ রেখেছে।

ইসি সূত্রে জানা গেছে, ২০১৮ সালে ১২৮ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী নির্বাচন করেছেন। এর আগে ২০১৪ সালের নির্বাচনে ১৫০ জন প্রার্থী স্বতন্ত্র পদে লড়াই করার জন্য মনোনয়নপত্র কিনেছিলেন। তবে শেষ পর্যন্ত নির্বাচনে লড়েছেন ১০৪ জন। আর ২০০৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী ছিলেন ১৫১ জন।

‘২০১৪ সালের পথে বিএনপি’ নয়া দিগন্তের শিরোনাম। খবরে বলা হচ্ছে, নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবি আদায় না হওয়ায় ২০১৪ সালে দশম সংসদ নির্বাচন বর্জন করে তা প্রতিহত করার ডাক দিয়েছিল বিএনপি। দলটি এবারো একই পথে এগোচ্ছে।

দলীয় সরকারের অধীনে ‘প্রহসনের’ নির্বাচনে অংশ না নেয়ার যে দৃঢ় অবস্থান বিএনপি এতদিন ব্যক্ত করেছে, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়ন জমা দেয়ার সময়সীমা শেষ হয়ে যাওয়ার পর সেটি এখন শতভাগ স্পষ্ট। জানা গেছে, বিএনপি ছাড়াও আরো ৫৯টি রাজনেতিক দল আসন্ন এই নির্বাচন বর্জন করছে। ইতোমধ্যে দলগুলো এ বিষয়ে ঐক্যমত্যে পৌঁছেছে।

বিএনপি এসব দলগুলোকে সাথে নিয়ে নির্বাচন ‘প্রতিহত’ করার ডাক দিয়ে শক্তভাবে কিভাবে মাঠে থাকা যায়, সেই কৌশল নির্ধারণে কাজ শুরু করেছে বলে শীর্ষ নেতারা জানিয়েছেন। তবে দলটির নেতাদের কারো কারো ধারণা, ৭ জানুয়ারি নির্বাচন নাও হতে পারে।

আজকের পত্রিকার শিরোনাম ‘সৈকত থেকে ঢাকায় এল প্রথম ট্রেন’। খবরে বলা হচ্ছে, সাগরপার থেকে ট্রেন ছুটবে—এ স্বপ্ন শত বছর ধরে কক্সবাজারবাসীর কাছে অধরাই ছিল। স্বপ্ন ছিল, একদিন ট্রেন আসবেই। গত ১১ নভেম্বর উদ্বোধনের দিন এলেও যাত্রী হওয়ার সুযোগ ছিল না। গতকাল শুক্রবার সেই অধরা স্বপ্নই পূরণ হলো কক্সবাজারবাসীর। অপেক্ষার দিন ফুরিয়ে ঝিক ঝিক ঝিক করে ট্রেন ছুটেছে রাজধানীর পথে।

দুপুর ১২টা ৩১ মিনিটে সমুদ্রনগরী থেকে ১ হাজার ২০ জন যাত্রী নিয়ে এই প্রথম ঢাকায় গেল ‘কক্সবাজার এক্সপ্রেস’। এই ট্রেনে চড়তে অনেকে আগেভাগেই টিকিট করে রেখেছিলেন। এই যাত্রাকে অনেকে ইতিহাসের সাক্ষী বলে মনে করেন।

কক্সবাজার আইকনিক রেলস্টেশন থেকে প্রথম বাণিজ্যিক ট্রেনটি রাত ৯টা ৩৫ মিনিটে ঢাকার কমলাপুর স্টেশনে পৌঁছায়। ৯টা ১০ মিনিটে পৌঁছানোর কথা থাকলেও ঢাকায় পৌঁছে ২৫ মিনিট দেরিতে।

গতকাল রাত ১১টা ৫৫ মিনিটে ঢাকার কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন থেকে কক্সবাজারের উদ্দেশে ছেড়ে যায়। এই ট্রেন চালু হওয়ায় পর্যটকেরা ভোগান্তি ছাড়াই ঘুরে আসতে পারবেন সমুদ্র শহর কক্সবাজারে।

সংবাদের শিরোনাম ‘পার্বত্য শান্তিচুক্তির ২৬ বছর, সুফল ব্যাহত গোষ্ঠী-সংঘাতে’ সংবাদের শিরোনাম। খবরে বলা হচ্ছে, ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর স্বাক্ষরিত হয় পার্বত্য শান্তিচুক্তি। এরপর গত ২৬ বছরে পাহাড়ের দৃশ্যপট অনেক বদলেছে। অবকাঠামোগত ও প্রাতিষ্ঠানিক উন্নয়ন হয়েছে। জনগনের আর্থিক সক্ষমতা বেড়েছে।

তবে দীর্ঘদিন পাহাড়ে শান্তি বজায় থাকলেও গোষ্ঠীভিত্তিক দ্বন্দ্বের জেরে পার্বত্যাঞ্চলে একের পর এক উত্থান হয়েছে নতুন নতুন আঞ্চলিক দলের। গত এক দশকে বান্দরবানে আত্মপ্রকাশ ঘটেছে জেএসএস সংস্কার, ইউপিডিএফ, ইউপিডিএফ সংস্কার, মগ লিবারেশন পার্টি ও কুকিচিন ন্যাশনাল ফ্রন্ট নামে বেশ কয়েকটি আঞ্চলিক সংগঠনের।

আর এসব সংগঠনের সদস্যরা নিজেদের আধিপত্য বিস্তারের জেরে জড়িয়ে পড়ছে গুম, খুন, অপহরণ, চাঁদাবাজি, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড, জাতিগত ভেদাভেদ, রাজনৈতিক দ্বন্দ্বসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে লিপ্ত হতেও পিছপা হচ্ছে না তারা। বিভিন্ন কারণে অস্থিতিশীল হয়ে পড়েছে পাহাড়ের পরিবেশ।

চুক্তি বাস্তবায়ন নিয়েও বিতর্কের শেষ হয়নি। সরকার পক্ষ বলছে, চুক্তির অধিকাংশ ধারাই বাস্তবায়িত হয়েছে। বাকি ধারগুলোও বাস্তবায়িত হবে। জেএসএসের অভিযোগ, সরকার চুক্তি বাস্তবায়নের পরিবর্তে লঙ্ঘন করছে। সূত্র : বিবিসি বাংলা

শেয়ার করুন

© All rights reserved © 2017
Developed By

Shipon