আজ বৃহস্পতিবার, ১৩ Jun ২০২৪, ১০:৪৫ পূর্বাহ্ন

Logo
শিরোনামঃ
অপরাধীরা কী ধরা-ছোঁয়ার বাইরে থাকবে? সিংহভাগ পুলিশের বিরুদ্ধে দুর্নীতি-অবৈধভাবে সম্পদ অর্জনের অভিযোগ এমপি আনার হত্যা : বেরিয়ে আসছে স্থানীয় আ’লীগ হেভিওয়েট নেতাদের সম্পৃক্ততার খবর জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে হামাস-ইসরায়েল “পরিপূর্ণ যুদ্ধবিরতি” পাস শেখ হাসিনার কারামুক্তি দিবস আজ গৌরনদীতে বিজয়ী প্রার্থীর সমর্থকদের মারধর, বাড়িঘর ভাংচুর-লুটপাট, অগ্নিসংযোগ গৌরনদী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে মনির হোসেন চেয়ারম্যান নির্বাচিত ১৩৭ বছর আগে কলকাতায় জাহাজ ডুবিতে ৭৫০ যাত্রীর মৃত্যু ভারতে চলছে জল্পনা-কল্পনা, মোদীর পর কে আসছেন বিজেপির নেতৃত্বে উত্তাল সাগর, ঘূর্ণিঝড়ের শঙ্কা জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৫তম জন্মবার্ষিকী শনিবার
ভোলায় প্রায় ৮০ কিলোমিটার পল্লী সড়ক নির্মাণ হচ্ছে

ভোলায় প্রায় ৮০ কিলোমিটার পল্লী সড়ক নির্মাণ হচ্ছে

 

ভোলায় প্রায় ৮০ কিলোমিটার পল্লী সড়ক নির্মাণ হচ্ছে

নিজস্ব প্রতিবেদক ॥

ভোলা জেলায় ৫৪ কোটি ৭৫ লাখ টাকা ব্যয়ে পল্লী সড়ক নির্মাণ করা হচ্ছে। এর মধ্যে ৮০ ভাগ নতুন সড়ক ও ২০ ভাগ পুরাতন সড়ক সংস্কার চলছে। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)’র বাস্তবায়নে ৭৯.৭৮ কিলোমিটার সড়ক উন্নয়ন কাজ ২০১৯ সালে শুরু করা হয়। এতে করে গ্রামীণ এলাকার মানুষের যোগাযোগ ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন হচ্ছে।

অগ্রাধিকার ভিত্তিতে গুরুত্বপূর্ণ পল্লী অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প (আইআরআইডিপি-৩) এর আওতায় এসব সড়কের নির্মাণ কাজ ইতোমধ্যে ৬০ ভাগ সম্পন্ন হয়েছে। আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে শতভাগ কাজ সমাপ্ত হওয়ার কথা রয়েছে।

জেলা এলজিইডি সূত্র জানায়, এসব সড়কের মধ্যে সদর উপজেলায় ১২ কোটি ১৯ লাখ ৮৫ হাজার টাকায় ১৮ দশমিক ৮১ কিলোমিটার সড়ক, বোরহানউদ্দিনে ১০ কোটি ৩৭ লাখ টাকায় প্রায় ১১ কিলোমিটার, দৌলতখানে ৪ দশমিক ৬৮ কিলোমিটার সড়ক ৪ কোটি ৪৩ লাখ ৭ হাজার টাকা ব্যয়ে, লালমোহনে ১৩ কেটি ৪৫ লাখ ৩৭ হাজার টাকায় ১৪ দশমিক ৭৩ কিলোমিটার ও চরফ্যাশন উপজেলায় ১৪ কোটি ৬৩ লাখ ৪ হাজার টাকায় ৩০ দশমিক ৬২ কিলোমিটার সড়ক রয়েছে।

জেলা এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী মুহাম্মদ ইব্রাহীম খলীল জানান, পাঁচ বছর মেয়াদের এ প্রকল্প’র কাজ চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ হবে বলে আশা করা হচ্ছে। প্রত্যেকটি সড়কের প্রসস্থতা সর্বনিম্ন ১০ ফিট থেকে সর্বোচ্চ ১৮ ফিট পর্যন্ত রয়েছে। এসব সড়ক নির্মাণের ফলে গ্রামের সাধারণ মানুষের চলাচল অনেক সহজ হবে। তাদের কৃষি পণ্য আনা নেওয়ার ফলে তারা পণ্যের সঠিক দাম পাবে। কাঁচা ও ভাঙ্গা সড়কে চলাচলের ভোগান্তি থেকে মানুষ স্থায়ী মুক্তি পাবে।

তিনি আরো বলেন, কাজের গুণগত মান সঠিক রাখার জন্য উপজেলা, জেলা ও আঞ্চলিক পর্যায়ের টিম নিয়মিত তদারকি করছে। এছাড়া আমাদের মন্ত্রণালয়ের টিমও কাজের তদারকি করছে। প্রকল্পটি শেষ হলে পল্লী এলাকার মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নসহ ইতিবাচক প্রভাব পড়বে সার্বিক কর্মকান্ডে।

শেয়ার করুন

© All rights reserved © 2017
Developed By

Shipon