আজ বৃহস্পতিবার, ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ০৪:৫০ অপরাহ্ন

Logo
সংসদ ভেঙে দিয়ে জাতীয় সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করুন : পীর সাহেব চরমোনাই

সংসদ ভেঙে দিয়ে জাতীয় সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করুন : পীর সাহেব চরমোনাই

সংসদ ভেঙে দিয়ে জাতীয় সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করুন : পীর সাহেব চরমোনাই

পল্লী জনপদ ডেস্ক॥

অবৈধ সরকারের পতন ও ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার দাবিতে আগামী ১০ নভেম্বরের মধ্যে পদত্যাগ করে জাতীয় সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করতে ক্ষমতাসীনদের প্রতি আল্টিমেটাম দিয়ে বিএনপিসহ বিরোধী দলগুলোর সকল শান্তিপূর্ণ কর্মসূচির প্রতি সমর্থন ঘোষণা করেছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। পাশাপাশি সংকট নিরসনে আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে কারারুদ্ধ শীর্ষ নেতাদের মুক্তি দিয়ে রাষ্ট্রপতিকে সকল রাজনৈতিক দলের সঙ্গে জাতীয় সংলাপের উদ্যোগ নেয়ারও দাবি জানিয়েছে ইসলামী আন্দোলন।

রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে চলমান রাজনৈতিক সংকট নিরসনে চলতি সংসদ ভেঙে জাতীয় সরকারের অধীনে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের দাবিতে আয়োজিত মহাসমাবেশে শুক্রবার (০৩ নভেম্বর, ২০২৩) বাদ জুমা এ ঘোষণা দেন দলটির আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম পীরসাহেব চরমোনাই।

তিনি বলেন, আগামী ১০ নভেম্বরের মধ্যে সরকারকে পদত্যাগ করে ও জাতীয় সংসদ ভেঙে দিয়ে নিবন্ধিত এবং প্রতিনিধিত্বশীল আন্দোলনরত রাজনৈতিক দলের সমন্বয়ে গঠিত জাতীয় সরকারের অধীনে ক্ষমতা হস্তান্তর করতে হবে। বিদ্যমান রাজনৈতিক সংকট নিরসনে আগামী ১ সপ্তাহের মধ্যে রাজনৈতিক কারণে কারারুদ্ধ বিএনপিসহ সব শীর্ষ নেতাদের মুক্তি দিয়ে প্রেসিডেন্টকে সব রাজনৈতিক দলের সঙ্গে জাতীয় সংলাপের উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। সরকার এসব দাবি মেনে না নিলে আন্দোলনরত সব বিরোধীদলের সঙ্গে আলোচনা করে পরে কঠোর ও বৃহত্তর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

সৈয়দ ফজলুল করীম বলেন, জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার দাবিতে এবং অবৈধ সরকারের পতনের লক্ষে বিএনপিসহ বিরোধীদলগুলোর সব শান্তিপূর্ণ কর্মসূচির প্রতি সমর্থন ঘোষণা করছি।

মহাসমাবেশকে ঘিরে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান এলাকা তথা শাহবাগ থেকে মৎস্যভবন মোড় পর্যন্ত এলাকায় এক অভূতপূর্ব দৃশ্যের সৃষ্টি হয়। সফেদ পাঞ্জাবী আর সাদা টুপিতে পুরো এলাকায় যেন এক নির্মল ও সুন্দর পবিত্র আবহাওয়া বিরাজ করছিল। কারো কারো মাথায় ছিল কলেমা খচিত বেল্ট বাধা। নারায়ে তাকবির ধ্বনিতে পুরো এলাকা মুখরিত করে, খণ্ড খণ্ড মিছিল ভোর থেকে জড়ো হয় সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে। সবুজের মাঝে সাদা পাঞ্জাবি আর টুপি পরা লোকগুলোর সুশৃঙ্খল বিচরণ এক নান্দনিক দৃশ্যের সৃষ্টি করে। সকাল ১০ টার পূর্বেই সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে যেন মানুষের ঢল নামে। সমাবেশ স্থল সাদায় সাদায় পরিপূর্ণ হয়ে তা রাস্তায় পর্যন্ত বিস্তৃত হয়ে পড়ে। জুমার নামাজের পূর্বেই শাহবাগ থেকে মৎস্যভবন মোড় পর্যন্ত এলাকার রাস্তায় লাখো জনতার স্রোত ছড়িয়ে পড়ে।

সমাবেশ জুমার নামাজের পর শুরু হওয়ার কথা থাকলেও সকাল ১০ টার পূর্বেই সমাবেশ স্থল কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে রাস্তা পর্যন্ত বিস্তার লাভ করে। এর ফলে সকাল ১০ টায় কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে সমাবেশের কার্যক্রম শুরু হয়। এরপর দুপুর ১টা ১৫ মিনিটে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সহকারী মহাসচিব প্রিন্সিপাল শেখ ফজলে বারী মাসউদ-এর খুৎবা দান ও ইমামতিতে লাখো মানুষের অংশগ্রহণে জুমার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশের কারণে পুরো শাহবাগ, মৎস্যভবন এলাকা, কাকরাইল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, দোয়েল চত্বর, হাইকোর্ট এলাকা যানশূন্য হয়ে ইসলামী আন্দোলনের নেতাকর্মীদের দখলে চলে যায়।

সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম বলেন, দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনের চেষ্টা করলে জনগণ নাকে তেল দিয়ে ঘুমাবে না। ২০১৪ ও ২০১৮ সালের ন্যায় বিতর্কিত নির্বাচন ২০২৪ সালে হতে দেয়া হবে না। আমাদের এক দফা দাবি সকল রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের ন্যায্য দাবি মেনে নিতে হবে। যারা সকল দলের অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের বিরোধিতা করবে তারা দেশ ও জনগণের শত্রু।

পীরসাহেব চরমোনাই দেশের সঙ্কটপূর্ণ মুহূর্তে প্রেসিডেন্টকে দায়িত্বশীল ভূমিকা নিয়ে একটি নিরপেক্ষ নির্বাচনের বন্দোবস্ত করার আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, একটি সুষ্ঠু নিরপেক্ষ জাতীয় নির্বাচন দেশের জন্য অনিবার্য হয়ে উঠছে। ন্যায্য দাবি বাস্তবায়নের লক্ষে জনগণ রাজপথে নেমে এসেছে। ইসলামী আন্দোলনের আমীর বলেন, গত ২৮ অক্টোবর বিএনপিকে নির্মূল করার ষড়যন্ত্র প্রমাণিত হয়েছে। মামলা হামলার ভয় দেখান। লঞ্চ, বাসে বাধা দিয়ে জনগণের আন্দোলনকে ঠেকিয়ে রাখা যায় না। আন্দোলনের জোয়ার শুরু হলে ক্ষমতাসীনরা ভেসে যাবে। তিনি বলেন, বিরোধী দলের শীর্ষ নেতা-কর্মী ও আলেমদের আটকে রেখে আন্দোলন দাবিয়ে রাখা যাবে না। যদি দেশের কল্যাণ চান, অচিরেই বিএনপির কারাবন্দি নেতা ও আলেমদের নিঃশর্ত মুক্তি দিন।

শত বাধা বিপত্তি, হুমকি-ধামকির পরও মহাসমাবেশ মহাসমূদ্রে পরিণত করায় নেতাকর্মীসহ দেশবাসীকে তিনি আন্তরিক মুবারকবাদ জানান। পীরসাহেব চরমোনাই বলেন, দেশের সংঘাতপূর্ণ সময়েও সীমাহীন ত্যাগ তিতিক্ষার কারণে নেতাকর্মীদের মনোবল বৃদ্ধি পেয়েছে। ইসলামী আন্দোলন দেশ, ইসলাম ও জনগণের যে কোনো ন্যায্য দাবিতে মাঠে সরব ভূমিকা পালন করে আসছে। দাবি আদায়ে যে কোনো ত্যাগ-কুরবানি, এমনকি জীবন ও রক্ত দিতেও দ্বিধা করবে না। জুলুম, নির্যাতন, হামলা-মামলা করে ন্যায়ের পথের এ পথিকদেররক দমিয়ে রাখা যাবে না। ন্যায় প্রতিষ্ঠার আন্দোলন শুরু হয়েছে। আন্দোলন কাক্সিক্ষত লক্ষ্য অর্জন না হওয়া পর্যন্ত চলবে।

তিনি বলেন, ২০২৪ সালে পাতানো নির্বাচনের চেষ্টা করলে তা মেনে নেয়া হবে না। সংবিধানের দোহাই দেন। এই সংবিধানও অবৈধ। সংবিধানের দোহাই দিয়ে মানুষ হত্যা, সন্তান হত্যা, স্ত্রী বিধবা হবে তা কেউ মেনে নেবে না। দেশের মহব্বত ইমানের অঙ্গ। ইমান যদি থাকে দেশ রক্ষার জন্য রক্ত দিতে হলেও আমরা একমত। তিনি ফিলিস্তিনে ইসরাইলি হত্যাযজ্ঞের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে জাতিসংঘসহ বিশ্ব নেতৃবৃন্দকে মজলুম মুসলমানদের রক্ষায় বাস্তবমুখী উদ্যোগ নেয়ার আহ্বান জানান।

মহাসমাবেশে দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য প্রিন্সিপাল মাওলানা সৈয়দ মোসাদ্দেক বিল্লাহ আল মাদানী বলেন, এক দফা এক দাবি শেখ হাসিনা কবে যাবি। বিগত ১৫ বছর আপনারা বহু খেলা দেখিয়েছেন। দেশের অর্থনীতি ধ্বংস করেছেন। হিন্দুত্ববাদ আমদানি করে জাতীয় শিক্ষানীতি ধ্বংস করে সন্তানদের নৈতিকতার বারোটা বাজিয়েছেন। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি নিয়ন্ত্রণের ব্যর্থ সরকারের ক্ষমতায় থাকার অধিকার নেই। ডেঙ্গুতে হাজার হাজার মানুষ মারা গেছে। দুই সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডেঙ্গু প্রতিরোধে চরমভাবে ব্যর্থ। আপনার লোকেরাই বাসে আগুন দেয়। স্বেচ্ছায় ক্ষমতা ছাড়েন, না হয় বঙ্গভবন ঘেরাও করা হবে। বিরোধীদের জেল দিচ্ছেন গুলি করছেন। আপনি তওবা করুন। তিনি বলেন, দালালরা আপনাকে জান্নাতি বলে সার্টিফিকেট দিচ্ছে। আসলে ওরা (দালাল) ওলামায়েছু’।

দলের সিনিয়র নায়েবে আমীর মুফতি সৈয়দ ফয়জুল করীম বলেন, গোটা দেশের মানুষ আজ জেলখানায় আবদ্ধ। এই জেলের তালা ভাঙতে হবে। সুষ্ঠু নিরপেক্ষ নির্বাচন দিতে হবে। এই আন্দোলন, যারা নিজের ভোট নিজে দিতে চায় তাদের আন্দোলন। যখন যুদ্ধের ঘোষণা দেয়া হবে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে। মজলুম জনগণের পক্ষে আমাদের আন্দোলন। রক্ত রক্ত চায়। জুলুল জুলুম চায়। অলিতে গলিতে রক্ত ঝড়বে। বহিঃশক্তি কেন আজ বাংলাদেশ নিয়ে নাক গলাচ্ছে। মানুষ গ্রহণযোগ্য নির্বাচন চায়। এটা ২০১৪ বা ২০১৮ সালের নির্বাচন নয়। এটা ২০২৪ সালের নির্বাচন তা মাথায় রাখতে হবে। তিনি বিরোধী দলের গ্রেফতারকৃত নেতা-কর্মীদের মুক্তির দাবি জানান। মুফতি ফয়জুল করীম ফিলিস্তিনি মজলুম শহীদদের জান্নাতের উঁচু স্থানের কামনা করে বলেন, সাদ্দাত নমরুদরাও ধ্বংস হয়ে গেছে। দখলদার ইহুদি-ইসরাইলিরাও ধ্বংস হয়ে যাবে। তিনি বলেন, বাংলাদেশের মানুষ এক জালেম শাসকের শিকার। আমরা কি চাই। সুষ্ঠু নির্বাচন চাই। রক্তপাত চাই না। গার্মেন্টস শ্রমিকরা বেতনের দাবিতে আজ গুলি খাচ্ছে। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে সাধারণ ক্রেতাদের নাভিশ্বাস উঠছে। জনগণের ট্যাক্স-ভ্যাট দিয়ে গুলি কেনা হয়। সেই গুলি জনগণের ওপর ছোড়া হচ্ছে। কতগুলি চালাবেন মানুষ একদিন স্বেচ্ছায় কারাবরণ করবে। তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনার নামে বিদেশে দেশের অর্থপাচার করা হয়েছে।

প্রেসিডিয়াম সদস্য আল্লামা নূরুল হুদা ফয়েজী বলেন, জনগণ কারসাজির নির্বাচন হতে দেবে না। তিনি পুলিশের উদ্দেশ্যে বলেন, জনগণের ওপর আর গুলি ছুঁড়বেন না। গুলি ছুঁড়লে আপনারা কুসন্তান হিসেবে সমাজে চিহ্নিত হয়ে থাকবেন।

নায়েবে আমীর মাওলানা আব্দুল হক আজাদ বলেন, সংবিধান কোরআন-হাদিস না, যে সংশোধন করা যাবে না। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবিতে আওয়ামী লীগ ১৭০ দিন হরতাল পালন করেছে। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের অধীনে কিয়ামত পর্যন্ত কোনো সুষ্ঠু নিরপেক্ষ নির্বাচনের আশা করা যায় না। দলের মহাসচিব প্রিন্সিপাল হাফেজ ইউনুছ আহমেদ বলেন, সব কিছুর দাম বেড়েছে আর গুলি ও টিয়ার গ্যাসের দাম কমেছে। আজ শ্রমিকের লাশ পড়ছে। পুলিশের লাশ পড়ছে। তিনি বলেন, মানুষের অধিকার আদায়ে জনগণ বুকের তাজা রক্ত ঢেলে দিতে প্রস্তুত।

প্রেসিডিয়াম সদস্য অধ্যাপক আশরাফ আলী আকন বলেন, দালাল নেতৃত্বের কারণে সিকিম ভারতের করদ রাজ্যে পরিণত হয়েছে। আজ দালালরা বলছে ভারত আছেতো আমরা আছি। এই দালালদের জনগণ আর ক্ষমতায় দেখতে চায় না। উপদেষ্টা মাওলানা খালিদ সাইফুল্লাহ প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশ্যে বলেন, আর কয়টা লাশ পড়লে ক্ষমতা ছাড়বেন? আমরা জিহাদের ময়দানে আছি। পদত্যাগ না করলে কঠিন কর্মসূচি দেয়া হবে।

যুগ্ম-মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান বলেন, সংবিধানের দোহাই দিয়ে এই সরকার জনগণের ভোটাধিকার হরণ করেছে। এই সরকারকে জনগণ বিশ্বাস করে না। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় গিয়ে তারা বিরোধী দলের নেতাদের ফাঁসি দিয়েছে। এখনো বিরোধী দলের নেতাদের গ্রেফতার করে কারাবন্দি রাখছে। তিনি কারাবন্দি সকল রাজনৈতিক নেতা ও আলেমদের দ্রুত মুক্তির দাবি জানান।

মহাসমাবেশে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন নায়েবে আমীর মাওলানা আব্দুল আঊয়াল পীর সাহেব খুলনা, প্রেসিডিয়াম সদস্য অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান, আল্লামা ফরিদ উদ্দিন আল মোবারক, অধ্যাপক ডা. মুহাম্মদ আক্কাস আলী সরকার, মাওলানা আবদুল কাদের, ইসলামী শ্রমিক আন্দোলনের সভাপতি মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম, যুগ্ম মহাসচিব ইঞ্জিনিয়ার আশরাফুল আলম, সহকারী মহাসচিব হাফেজ মাওলানা ফজলে বারী মাসউদ ও মাওলানা ইমতিয়াজ আলম, সাংগঠনিক সম্পাদক কে এম আতিকুর রহমান, মাওলানা লোকমান হোসাইন জাফরী, মুফতি এছহাক মুহাম্মদ আবুল খায়ের, মাওলানা এ বি এম জাকারিয়া, ইসলামী মুক্তিযোদ্ধা পরিষদ সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কাশেম, জান্নাতুল ইসলাম, মুহাম্মদ আব্দুর রহমান, অধ্যাপক ডা. নাসির উদ্দিন, শেখ ফজলুল করীশ মারূফ, ইসলামী আইনজীবী পরিষদের সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট শওকত আলী হাওলাদার, জাতীয় শিক্ষক ফোরামের সভাপতি অধ্যাপক নাসির উদ্দিন খান, মাওলানা খলিলুর রহমান, মাওলনা নুরুল ইসলাম আল-আমিন, মাওলানা শোয়াইব হোসেন, জি এম রুহুল আমীন, উপাধ্যক্ষ মাওলানা সিরাজুল ইসলাম, মাওলানা আবুল কালাম আজাদ, বরকত উল্লাহ লতিফ, নুরুল করীম আকরাম, মাওলানা আরিফুল ইসলাম, ডা. শহিদুল ইসলাম, ইসলামী যুব আন্দোলনের সেক্রেটারি জেনারেল মুফতি মানসুর আহমদ সাকী, জাতীয় ওলামা মাশায়েখ আইম্মা পরিষদের সেক্রেটারি জেনারেল মুফতি রেজাউল করীম আবরার, ইসলামী ছাত্র আন্দোলন কেন্দ্রীয় সভাপতি শরিফুল ইসলাম রিয়াদ। মহাসমাবেশ পরিচালনা করেন প্রচার ও দাওয়াহ বিষয়ক সম্পাদক মাওলানা আহমদ আবদুল কাইয়ূম, অধ্যাপক সৈয়দ বেলায়েত হোসেন ও মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাকী প্রমুখ।

শেয়ার করুন

© All rights reserved © 2017
Developed By

Shipon