আজ রবিবার, ২৩ Jun ২০২৪, ০৩:৪৪ পূর্বাহ্ন

Logo
সাইবার নিরাপত্তা আইন : মিথ্যা মামলায় বাদীর কোনো শাস্তির বিধান রাখা হয়নি

সাইবার নিরাপত্তা আইন : মিথ্যা মামলায় বাদীর কোনো শাস্তির বিধান রাখা হয়নি

সাইবার নিরাপত্তা আইন : মিথ্যা মামলায় বাদীর কোনো শাস্তির বিধান রাখা হয়নি

পল্লী জনপদ ডেস্ক॥

সাইবার নিরাপত্তা আইন নিয়ে কালের কণ্ঠের প্রধান শিরোনাম, “সাইবার আইনের ৪টি ধারা অজামিনযোগ্য থাকছে”। সরকার বিতর্কিত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন রহিত করে নতুন সাইবার নিরাপত্তা আইন করছে। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, সাইবার নিরাপত্তা আইনের খসড়ার চারটি ধারা অজামিনযোগ্য রেখে এর চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।

আইনের খসড়ায় অজামিনযোগ্য ধারা ছয়টি থাকলেও। সোমবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে ২১ ও ৩০ নম্বর ধারা দুটিও জামিনযোগ্য করা হয়েছে। এছাড়া উল্লেখযোগ্য তেমন পরিবর্তন আসেনি। কেউ মিথ্যা মামলা করলে তার জন্য কোনো শাস্তির বিধান রাখা হয়নি।

প্রস্তাবিত সাইবার নিরাপত্তা আইনের খসড়া নিয়ে অংশীজন ও মানবাধিকার সংস্থাগুলোর অভিযোগ ছিল, আইনে সাজা কিছু কমানো ও ধারা জামিনযোগ্য করা ছাড়া বিষয়বস্তুতে তেমন কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি। এতে মানুষের হয়রানি কমবে না।

একই বিষয়ে সমকালের প্রধান শিরোনাম, “অংশীজনের সঙ্গে আলোচনা ছাড়াই মন্ত্রিসভায় চূড়ান্ত”। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, ‘সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩’-এর খসড়াটি মন্ত্রিসভায় নীতিগত অনুমোদনের ২২ দিনের মাথায় বড় কোনো পরিবর্তন ছাড়াই চূড়ান্ত অনুমোদন পেল।

আইনটির নীতিগত অনুমোদনের পর অংশীজনের মতামত নেওয়ার কথা জানিয়েছিল সরকার। কিন্তু তেমন কোনো উদ্যোগ না নিয়েই বহুল বিতর্কিত প্রস্তাবিত এ আইনের খসড়া চূড়ান্ত অনুমোদন পেল।

৭ আগস্ট মন্ত্রিসভা বৈঠকের পর ‘ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০১৮’ বাতিল করে প্রস্তাবিত ‘সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩’ প্রণয়নের সিদ্ধান্ত জানায় সরকার। পরে এ নিয়ে গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা হয়। অনেক ক্ষেত্রে বিভ্রান্তিও তৈরি হয়।

এ নিয়ে প্রথম আলোর প্রধান শিরোনাম, “জামিন অযোগ্য ধারা বাড়লো তবে উদ্বেগ রয়েই গেল” প্রতিবেদনে মূলত, সাইবার নিরাপত্তা আইন অনুমোদনের মাধ্যমে সরকার যে কেবল নাম বদলে বিতর্কিত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মূল বিষয়বস্তু বহাল রাখতে চাইছে সেই প্রসঙ্গ উঠে এসেছে।

এবারে মূল উদ্যোগ ছিল বিতর্কিত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে বিভিন্ন ধরনের অপরাধকে যেভাবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে নতুন আইনে সেভাবেই বহাল রাখা হয়েছে, এ কারণে নতুন আইনের অপপ্রয়োগ এবং অপব্যবহারের আশঙ্কার কথা বলে আসছেন মানবাধিকার কর্মীসহ নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিদের অনেকে।

এতে মানুষকে হয়রানি করার সুযোগ থেকেই যাবে বলে তারা জানিয়েছে। এর আগে ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বর মাসে সরকার জাতীয় সংসদে আইন পাস করেছিল শুরু থেকে এই আইন নিয়ে সাংবাদিকদের পাশাপাশি দেশে-বিদেশি মানবাধিকার সংগঠনগুলো তাদের উদ্বেগের কথা জানিয়েছিল।এসব সমালোচনার মুখে সরকার ডিজিটাল নিরাপদ আইনের পরিবর্তে সাইবার নিরাপত্তা আইন প্রণয়নের কথা জানায়।

চট্টগ্রামের ভূমিধস নিয়ে ঢাকা ট্রিবিউনের প্রধান শিরোনাম, “Chittagong landslides: 250 deaths in 17 years as negligence lingers” অর্থাৎ “চট্টগ্রামে ভূমিধস: অবহেলার কারণে ১৭ বছরে ২৫০ জনের মৃত্যু।”

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, গত ১৭ বছরে, চট্টগ্রামে ভূমিধসে হতাহতের সংখ্যা ধারাবাহিকভাবে বেড়েছে। এই সময়ের মধ্যে, আনুমানিক ২৫০ জন প্রাণ হারিয়েছেন।

এ বিষয়ে পরিবেশ অধিদপ্তরের চট্টগ্রাম মেট্রো অফিসের পরিচালক জানিয়েছেন, “এ বছর পাহাড় ধ্বংসের অভিযোগে অনেকের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। এসব ঘটনার সঙ্গে জড়িতরা যতই প্রভাবশালী হোক না কেন, তাদের কাউকে ছাড় দেয়া হবে না। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে পাহাড় ধসের কারণে ভূমিধস হয়।”

এই পাহাড় ধসের সবচেয়ে ভয়াবহ ঘটনা ঘটেছে ২০০৭ সালে। ওই বছর বেশ কয়েকটি ভূমিধসে ১২৭ জনের মৃত্যু হয়। এরপর ভূমিধসে প্রাণহানি রোধে জেলা প্রশাসকের সভাপতিত্বে একটি ‘শক্তিশালী পাহাড় সুরক্ষা ব্যবস্থাপনা কমিটি’ গঠন করা হয়।

কমিটি চট্টগ্রামে ভূমিধসের ২৮টি কারণ চিহ্নিত করে ৩৬টি সুপারিশ করেছে, কিন্তু কোনোটিই বাস্তবায়ন হয়নি। গত ১৬ বছরেও সুপারিশগুলি বাস্তবায়িত না হওয়ায় ভূমিধসে মৃতের সংখ্যা থামেনি।

জেলা পাহাড় ব্যবস্থাপনা উপ-কমিটির দেওয়া তথ্যমতে, নগরীর ২৫টি পাহাড়ের কাছাকাছি এক হাজারের বেশি পরিবার ঝুঁকির মধ্যে বসবাস করছে।

দ্রব্যমূল্য নিয়ে ইত্তেফাকের প্রধান শিরোনাম, “নিত্যপণ্যের চড়া দামে কষ্টে মানুষ”। প্রতিবেদনে বাজারে বিভিন্ন খাদ্যপণ্যের দাম আকাশচুম্বি হওয়ার বিষয়টি উঠে এসেছে।

বাজার ঘুরে দেখা গিয়েছে, পেঁপে, আলু ছাড়া ৫০/৬০ টাকা কেজির নীচে কোন ধরনের সবজি নেই। পেঁয়াজ, ডিম, চিনি, গুড়ো দুধ, এমন কি চাষের রুই মাছ সব কিছুর দামই চড়া। গত এক বছরের ব্যবধানে কোন কোন পণ্যের দাম দ্বিগুণের বেশি বেড়েছে। এতে সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়েছে স্বল্পআয়ের মানুষ। সরকারি হিসাবে দেশে যে হারে মজুরি বৃদ্ধি পাচ্ছে তার চেয়ে বেশি হারে নিত্যপণ্যের মূল্য বাড়ছে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, এর প্রভাবে সাধারণ মানুষ তার খাবারের তালিকা ছোট করছেন। কারণ খাদ্যের বাইরে অন্যান্য পণ্য বা সেবা বিশেষ করে শিক্ষা, চিকিৎসার মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতে খরচ দামও পাল্লা দিয়ে বেড়েছে। যেখান থেকে খরচ কমানোর সুযোগ নেই।

গত বছরের আগস্ট থেকে এই চাপের শুরু। এই সময়ের মধ্যে কোনো মাসেই মূল্যস্ফীতি সাড়ে ৮ শতাংশের নিচে নামেনি। ব্যয় বৃদ্ধির সঙ্গে পাল্লা দিয়ে সাধারণ মানুষের আয় না বাড়ায় তাদের কষ্ট আরও বেড়েছে।

পায়রা বিদ্যুৎ কেন্দ্র নিয়ে সংবাদের প্রধান শিরোনাম, “কয়লার রিজার্ভ সংকটে পায়রা”। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, পায়রার মতো কয়লাভিত্তিক বড় বিদ্যুৎকেন্দ্রেগুলোতে যে পরিমাণ কয়লা মজুদ (রিজার্ভ) রাখা জরুরি সেই মজুদ তৈরি হচ্ছে না। এক সময় এই বিদ্যুৎকেন্দ্রে ৫-৬ লাখ মেট্রিক টন কয়লা রিজার্ভ থাকলেও এখন কোলডোমগুলো প্রায় ফাঁকাই বলা চলে।

ডলার সংকটে কয়লা আমদানির বিশাল বকেয়া পরিশোধে ব্যর্থ হওয়ায় পায়রায় কয়লা সরবরাহ বন্ধ করে দেয় ইন্দোনেশিয়ার কোলমাইনিং কোম্পানি। এর আগে তারা চিঠি দিয়ে বকেয়া পরিশোধের তাগাদা এবং সময় দিলেও যথাসময়ে ডলার সংস্থান করতে পারেনি পায়রা বিদ্যুৎকেন্দ্র কর্তৃপক্ষ।

এরপর কয়লা আসা বন্ধ হয়ে যায়। কোলইয়ার্ডের রিজার্ভ কয়লা দিয়ে চলতে থাকে পায়রা। আর কর্তৃপক্ষ ডলার জোগাড়ের চেষ্টায় দৌড়ঝাঁপ করতে থাকেন। পরে ডলারের ব্যবস্থা করে কিস্তিতে বকেয়া পরিশোধ করা শুরু হলে আবার কয়লা সরবরাহ শুরু করে মাইনিং কোম্পানি।

তবে কয়লার রিজার্ভ আগের যায়গায় নিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়নি। এখন পায়রা বিদ্যুৎকেন্দ্রটির অবস্থা অনেকটা ‘দিন আনে দিন খায়’ এর মতো।রেলওয়ের ই টিকেট নিয়ে দ্য ডেইলি স্টারের প্রধান শিরোনাম, “Railway E-Ticketing: 17yrs gone, only 18pc stations covered”। অর্থাৎ “রেলওয়ে ই-টিকিটিং: ১৭ বছরে, শুধুমাত্র ১৮ শতাংশ স্টেশন কভার করা হয়েছে।”

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, বাংলাদেশ রেলওয়ের অনলাইন টিকিট ব্যবস্থা এর ৪৮৩টি স্টেশনের মধ্যে মাত্র ৮৫টিতে আছে। এতে যাত্রীরা স্টেশনের কাউন্টার থেকে উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি দামে টিকিট কিনতে বাধ্য হচ্ছে। যদিও বাংলাদেশ রেলওয়ে ২০০৭ সালে অনলাইন টিকিট সিস্টেম চালু করেছিল, শুধুমাত্র ১০৬টি আন্তঃনগর ট্রেনের টিকিট অনলাইনে বিক্রি করা হয়।

১০০ টিরও বেশি মেল, কমিউটার, লোকাল ট্রেন, এমনকি ভারতে যাওয়ার ট্রেনের টিকিটও অনলাইনে পাওয়া যায় না। অথচ ভারতীয় রেলওয়ে সমস্ত ট্রেনের টিকিট এবং প্ল্যাটফর্ম টিকিট অনলাইনে বিক্রি করে।

এ নিয়ে বাংলাদেশের পরিকল্পনার অভাব রয়েছে বলে এক রেল কর্মকর্তা জানিয়েছেন। বিআর-এর কোনো নিজস্ব আইটি সেল না থাকায় এটি সীমিত হারে অনলাইনে যে টিকিট বিক্রি করছে, সেটাও সম্পূর্ণরূপে বিক্রেতাদের উপর নির্ভরশীল।

যুগান্তরের প্রধান শিরোনাম, “সংশোধনের হিড়িক উন্নয়ন প্রকল্পে”। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে প্রকল্প সংশোধনের হিড়িক পড়েছে। ছোট আকারের নির্বাচনকালীন সরকার গঠন হলে বন্ধ হয়ে যেতে পারে একনেক বৈঠক-এমন শঙ্কা সংশ্লিষ্টদের।

এ পরিস্থিতিতে কোনো ঝুঁকি না নিয়ে এখনই প্রকল্পগুলোর মেয়াদ বাড়িয়ে নেওয়া হচ্ছে। এর অংশ হিসাবে মঙ্গলবার জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) বৈঠকে সংশোধনের জন্য উঠছে ১২টি প্রকল্প।

এর মধ্যে ব্যয় ও মেয়াদ দুটোই বৃদ্ধি পাবে সাতটির। বাকি পাঁচটি প্রকল্পের ব্যয় বৃদ্ধি ছাড়া মেয়াদ বাড়ানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। কোনো কোনো প্রকল্প ৩-৪ দফায় মেয়াদ বাড়িয়েও বাস্তবায়ন শেষ হচ্ছে না। এবার চতুর্থ ও পঞ্চম দফায় বাড়ানো হচ্ছে।

এতে একদিকে যেমন অর্থের অপচয় হচ্ছে, অন্যদিকে প্রকল্পের সুফল প্রাপ্তি থেকে বঞ্চিত হচ্ছে দেশ। প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নের দায়িত্বে যারা ছিলেন, তাদের কোন জবাবদিহিতা বা দায়বদ্ধতা না থাকায় এতো বিলম্ব হচ্ছে বলে বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন।

রফতানি বাণিজ্য নিয়ে বণিক বাতার প্রধান শিরোনাম, “রফতানিতে নয় বিলিয়ন ডলারের তথ্য তারতম্য!”। প্রতিবেদনে, রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ফরেন এক্সচেঞ্জ ড্যাশবোর্ডের পণ্য রফতানির হিসাবে গড়মিল থাকার বিষয়টি উঠে এসেছে।

২০২২-২৩ অর্থবছরে রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বাংলাদেশ থেকে বিশ্ববাজারে পণ্য রফতানি হয়েছে ৫ হাজার ৫৫৫ কোটি ডলারের। অথচ কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ফরেন এক্সচেঞ্জ ড্যাশবোর্ডের হিসাব অনুযায়ী, ওই অর্থবছরে রফতানিকারকরা গত বাণিজ্যিক ব্যাংকের মাধ্যমে রফতানির ঘোষণা (ইএক্সপি) দিয়েছেন ৪ হাজার ৬৩১ কোটি ডলারের।

এ অনুযায়ী দুই সংস্থার গত অর্থবছরের রফতানি তথ্যে গরমিল রয়েছে ৯২৪ কোটি (৯ দশমিক ২৪ বিলিয়ন) ডলারের। ইপিবি ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের রফতানি তথ্যে বরাবরই গরমিল থাকলেও গত অর্থবছরেই তা অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

ব্যবধান এখন ভাবিয়ে তুলেছে খোদ নীতিনির্ধারকদেরও। বিষয়টি খতিয়ে দেখতে একটি টেকনিক্যাল কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। পোশাক রফতানিকারকদের ভাষ্যমতে, অসাধু বাণিজ্যিক চর্চার কারণেও পরিসংখ্যানে ভিন্নতা দেখা যেতে পারে। এজন্য ব্যাংকের নজরদারি ব্যবস্থা আরো শক্ত হওয়া প্রয়োজন বলে তারা জানান।

অন্যান্য খবর

বণিক বার্তার প্রথম পাতার খবর, “২০২৪ সালেও রেমিট্যান্সে উন্নতির সম্ভাবনা দেখছে না বিশ্বব্যাংক”। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, বাংলাদেশে বৈদেশিক মুদ্রা আহরণের অন্যতম উৎস রেমিট্যান্স পরিস্থিতির ক্রমে অবনতি হচ্ছে।

চলতি বছরের প্রথম সাত মাসে রেমিট্যান্সে প্রবৃদ্ধি হয়েছে মাত্র ১ দশমিক ৫৭ শতাংশ। সামনের বছরেও পরিস্থিতির তেমন একটা উন্নতি হবে না বলে মনে করছে বিশ্বব্যাংক। বরং ২০২৪ সালে দেশে প্রবাসীদের পাঠানো অর্থের প্রবৃদ্ধি কমে যেতে পারে বলে সংস্থাটির পূর্বাভাসে উঠে এসেছে।

দেশে বিনিময় হারে পার্থক্যের কারণে বেশি টাকা পাওয়ার আশায় প্রবাসীরা হুন্ডির মাধ্যমে অর্থ পাঠাচ্ছেন বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। এমনকি অবৈধ এ পথে দেশে অর্থ পাঠালে সরকারের প্রণোদনার চেয়েও বেশি লাভ মেলে।

এক্ষেত্রে বিনিময় হারকে একীভূত ও বাস্তবসম্মত করতে না পারায় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের দায় রয়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

এদিকে দেশ থেকে বিদেশে যাওয়া জনশক্তির সংখ্যা যে হারে বাড়ছে সে হারে দেশে রেমিট্যান্স বাড়ছে না। বর্তমানে গড়ে প্রতি মাসে প্রায় ১ লাখ করে জনশক্তি সৌদি আরব, ওমান, মালয়েশিয়া, কাতার ও সংযুক্ত আরব আমিরাত যাচ্ছে।

এসব দেশে মূল্যস্ফীতি কিছুটা বাড়লেও আয় কমে গেছে এমন নয়। আর সেখানে অন্যান্য দেশের তুলনায় মূল্যস্ফীতিও কম বেড়েছে। ফলে সেখান থেকে তো রেমিট্যান্স বেশি আসার কথা।

ইত্তেফাকের প্রথম পাতার খবর, “ড. ইউনূসের বিচার স্থগিত ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন চেয়ে প্রধানমন্ত্রীকে ১৬০ বিশ্বনেতার খোলা চিঠি”। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে মামলার বিচার স্থগিত ও সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বরাবর ১০০ জনের বেশি নোবেল বিজয়ীসহ ১৬০ বিশ্বনেতা খোলা চিঠি লিখেছেন।

পরবর্তীতে এতে আরও ১৫ বিশ্বনেতাসহ ২৩ জন স্বাক্ষর করায় করায় এই সংখ্যা বেড়ে ১৮৩ জনে দাঁড়িয়েছে। রেজাল্টস অ্যান্ড সিভিক কারেজের প্রতিষ্ঠাতা স্যাম ডেলি-হ্যারিস নামে একজন চিঠিটি প্রকাশ করেছেন। এর আগে চলতি বছরের মার্চে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে ৪০ বিশ্বনেতা খোলাচিঠি লিখেছিলেন।

চিঠিতে স্বাক্ষরকারীদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ও সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটন, জাতিসংঘের সাবেক মহাসচিব বান কি মুনের মতো বিশ্বনেতারা।

যুগান্তরের প্রথম পাতার খবর, “আদালতে হইচই-হট্টগোল এজলাস ছাড়লেন দুই বিচারপতি”। প্রতিবেদনে মূলত, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সাম্প্রতিক বক্তব্য অনলাইন থেকে সরানোর নির্দেশকে কেন্দ্র করে হাইকোর্টের এজলাস কক্ষে বিএনপিপন্থি ও আওয়ামীপন্থি আইনজীবীদের মধ্যে চরম হট্টগোলের ঘটনার কথা তুলে ধরা হয়।

টানা ২০ মিনিটের হইচই ও হট্টগোলের কারণে আদালতে অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে এজলাস ছেড়ে খাসকামরায় চলে যান দুই বিচারপতি। এর প্রায় সাড়ে তিন ঘণ্টা পর এজলাসে ফেরেন তারা।

এর আগে গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আইনের দৃষ্টিতে পলাতক অবস্থায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বক্তব্য প্রচারে নিষেধাজ্ঞা সংক্রান্ত রুলে সম্পূরক আবেদনের শুনানি হয়।

শুনানি শেষে তারেক রহমানের সাম্প্রতিক দেওয়া সব বক্তব্য অনলাইন থেকে সরানোর জন্য বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনকে (বিটিআরসি) নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। এরপর আদালতে উপস্থিত হয়ে এ নিয়ে আপত্তি জানান বিএনপিপন্থি আইনজীবীরা। সূত্র : বিবিসি বাংলা

শেয়ার করুন

© All rights reserved © 2017
Developed By

Shipon