আজ বুধবার, ০৩ Jun ২০২৬, ০৫:৪১ পূর্বাহ্ন
পল্লী জনপদ ডেস্ক ॥
সংস্কার, বিচার ও পিআর পদ্ধতির নির্বাচনের দাবিতে আগামী শনিবার (২৮ জুন) ঢাকার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে দুপুর ২টায় মহাসমাবেশের আয়োজন করা হয়েছে। এসব দাবি আদায়ে ওইদিন ঢাকায় গণজোয়ার সৃষ্টি করবে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ।
পীর সাহেব চরমোনাই বলেন, বাংলাদেশকে ভবিতব্য স্বৈরতন্ত্রের কবল থেকে রক্ষা করার জন্য রাষ্ট্রের মৌলিক সংস্কার করা, পতিত ফ্যাসিবাদের সাথে জড়িতদের বিচার দ্রুততার সাথে নিশ্চিত করা এবং পিআর পদ্ধতিতে আগামী নির্বাচন আয়োজনের দাবী বাংলাদেশের গণমানুষের দাবিতে পরিণত হয়েছে। সেই দাবি আদায়ে আগামী ২৮ জুন ঢাকায় গণজোয়ার সৃষ্টি করবে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ।
সেই মহাসমাবেশে পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচনের দাবীতে ঐকমত্য রয়েছে এমন সকল রাজনৈতিক দল একসাথে একমঞ্চে যৌথ ঘোষণায় জাতিকে আশ্বস্ত করবে ইনশাআল্লাহ; ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ সেই লক্ষে কাজ করে যাচ্ছে।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমীর আরো বলেন, বাংলাদেশকে ভারতের কব্জা থেকে বের করতে এবং আগামীতেও ভারতের আধিপত্য প্রতিরোধে এখনই বাংলাদেশপন্থী সকল দল-মত ও পথের জনতাকে এক কাতারে আসতে হবে। তারই একটি প্রতিফলন হবে ২৮ জুন।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমীর দেশের সকল ধারার সকলকে দলমত নির্বিশেষে আমন্ত্রণ জানিয়ে বলেন, ২৮ জুন সকলে ঢাকায় আসুন। সংস্কার, বিচার ও পিআর পদ্ধতির নির্বাচন নিশ্চিত করে দেশকে ভবিতব্য স্বৈরতন্ত্রের হাত থেকে রক্ষা করতে আরেকটি গণজোয়ার তৈরি করি।
এ ব্যাপারে শায়খে চরমোনাই ফয়জুল করীম বলেন, চলো চলো ঢাকা চলো। সংস্কার চাই, সংস্কার চাই। ২৮ জুন ঢাকায় এক মহাপ্রলয় সৃষ্টি হবে। এ বন্যা কিসের বন্যা? তিনি বলেন এ বন্যা হবে মানুষের বন্যা ইনশাআল্লাহ।
এদিকে, আগামী ২৮ জুন ঢাকার ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে পীর সাহেব চরমোনাই মহাসমাবেশ জনতার মহাসমুদ্রে রূপ নেবে বলে জানিয়েছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় মহিলা ও পরিবার কল্যাণ সম্পাদক মাওলানা এবিএম জাকারিয়া। তিনি বলেন, জুলাই ঘোষণাসহ প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষ করেই নির্বাচনের ব্যবস্থা করতে হবে।
মাওলানা জাকারিয়া বলেন, স্বাধীনতার ৫৪ বছরে যে পদ্ধতিতে নির্বাচন হয়েছে তাদের জনগণের শতভাগ জনমত প্রতিফলিত হয়নি। বরং কালো টাকা ও পেশি শক্তি ও অবৈধ অস্ত্রের প্রভাবে নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে। তাই ২৪ পরবর্তী নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে পদ্ধতি পরিবর্তন করা সময়ের দাবি। পিআর সিস্টেম বা সংখ্যানুপাতিক পদ্ধতিতে নির্বাচন হলে অবাধ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ এবং অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন সম্ভব। যাতে জনগণের মতামতের শতভাগ প্রতিফলন হবে। তাই বিশ্বের প্রায় ৯১টি রাষ্ট্রে এ পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়।