আজ বৃহস্পতিবার, ২৫ Jun ২০২৬, ০৬:২০ পূর্বাহ্ন

Logo
শিরোনামঃ
লাখো মানুষের গন্তব্য এখন চরমোনাই আসন্ন বাকেরগঞ্জ পৌর নির্বাচনে নারী কাউন্সিলর পদে দোয়া চাইলেন বিএমএসএফ নেত্রী সাবরিনা আক্তার জিয়া ‘ইসরাইলি সেনাবাহিনী ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে’ : ইরানের হামলায় এশিয়ায় ১৩ মার্কিন ঘাঁটি ধ্বংস দৌলতদিয়ায় বাস ডুবি : ২৪ জনের মরদেহ উদ্ধার, অনেকেই নিখোঁজ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস আজ সাংবাদিক নির্যাতনের বিরুদ্ধে জেলা ও উপজেলায় কমিটি গঠনের আহ্বান বছর ঘুরে আবারও এলো খুশির ঈদ বাউফলে মাষ্টার মোহাম্মদ ইউনুস বিশ্বাস স্মৃতি ফাউন্ডেশনের উদ্যােগে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের সম্মানি প্রদান কার্যক্রম উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও বাংলাদেশের নির্বাচনী রাজনীতিতে ফেরার পথ খুঁজছে আওয়ামী লীগ
গেট আটকে দেওয়ায় শেবাচিমের হাজারও রোগীর চরম দুর্ভোগ

গেট আটকে দেওয়ায় শেবাচিমের হাজারও রোগীর চরম দুর্ভোগ

গেট আটকে দেওয়ায় শেবাচিমের হাজারও রোগীর চরম দুর্ভোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক॥

বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পূর্ব প্রান্তের গেট আটকে দেয়ার কারণে মেডিসিন বিভাগের হাজারো রোগী ও তাদের স্বজনরা চরম দুর্ভোগের মধ্যে পড়েছেন।

ওষুধপত্র কেনা এবং পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য রোগীদের বাইরে নিতে দুর্ভোগে পড়েছেন তারা। বাধ্য হয়ে জরুরি ওষুধ কিনতে দেয়াল টপকে কেউ আবার চলাচল করছেন গেটের নিচ দিয়ে। ভুক্তভোগীরা অবিলম্বে পূর্ব প্রান্তের গেটটি খোলার দাবি জানিয়েছেন। গেট আটকা থাকায় রোগী ও তাদের স্বজনদের দুর্ভোগের কথা স্বীকার করেছেন স্বয়ং হাসপাতালের পরিচালকও।

এক হাজার শয্যার শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনের দিকে ৩টি গেট রয়েছে। জরুরি বিভাগ এবং মাঝ গেট দিয়েই চলাচল করে আসছে রোগীরা। চলতি বছর শুরুর দিকে হাসপাতালের মূলভবন থেকে মেডিসিন ওয়ার্ডটি পূর্ব প্রান্তের বর্ধিত ভবনে স্থানান্তর করা হয়। খুলে দেয়া হয় পূর্ব প্রান্তের গেট।

যৌক্তিক কোনও কারণ ছাড়াই কিছুদিন আগে পূর্ব প্রান্তের গেটটি আটকে দেয় কর্তৃপক্ষ। এতে দুর্ভোগের সৃষ্টি হয় রোগী ও তাদের স্বজনদের। তাদের দাবী, একজন রোগী জরুরি বিভাগের ভর্তির পর প্রায় অর্ধকিলোমিটার দূরে মেডিসিন ওয়ার্ডে স্থানান্তর করা হয়। সেই রোগীদের রোগ পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য ট্রলিতে করে আবার অর্ধকিলোমিটার পথ ঘুরে নিতে হয় বাইরের ডায়াগনস্টিক সেন্টারে। বাইরে রোগী নিতে হাসপাতাল কর্মীদের দিতে হয় ১০০ থেকে ২০০ টাকা। এতে চরম দুর্ভোগের শিকার হতে হয় তাদের। আবার ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রোগীদের জরুরি ওষুধপত্রও আনতে হয় অর্ধকিলোমিটার পথ ঘুরে। বাধ্য হয়ে অনেকে দেয়াল টপকে, আবার কেউ চলাচল করেন গেটের নিচ দিয়ে চিৎ-কাত হয়ে। পুরুষরা চিৎ-কাত হয়ে চলাচল করলেও বেকায়দায় পড়েছেন স্বজন নারীরা। দূরের পথ ঘুরে রোগীর জন্য ওষুধ-খাবার আনতে হয় তাদের। ভুক্তভোগীরা রোগীদের স্বার্থে হাসপাতালের পূর্ব প্রান্তের গেটটি খুলে দেয়ার দাবি জানিয়েছেন।

তবে ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, কিছু অসাধু ব্যক্তি মাঝের গেটের ব্যবসায়িদের কাজ থেকে অনৈতিক সুবিধা পেয়ে এমন কাজটি করেছে।

পূর্ব প্রান্তেরগেট আটকা থাকায় রোগী ও তাদের স্বজনদের দুর্ভোগের কথা স্বীকার করেছেন হাসপাতালের পরিচালক ডা. এইচএম সাইফুল ইসলামও। তিনি সংশ্লিস্টদের সঙ্গে আলোচনা করে এ বিষয়ে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেয়ার কথা বলেন।

উল্লেখ্য, একহাজার শয্যার বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গড়ে প্রতিদিন ভর্তি থাকেন ২ হাজার রোগী। যার মধ্যে বেশীরভাগই মেডিসিন বিভাগে চিকিৎসাধীন।

শেয়ার করুন

© All rights reserved © 2017
Developed By

Shipon