আজ বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ১০:৪৯ পূর্বাহ্ন

Logo
শিরোনামঃ
লাখো মানুষের গন্তব্য এখন চরমোনাই আসন্ন বাকেরগঞ্জ পৌর নির্বাচনে নারী কাউন্সিলর পদে দোয়া চাইলেন বিএমএসএফ নেত্রী সাবরিনা আক্তার জিয়া ‘ইসরাইলি সেনাবাহিনী ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে’ : ইরানের হামলায় এশিয়ায় ১৩ মার্কিন ঘাঁটি ধ্বংস দৌলতদিয়ায় বাস ডুবি : ২৪ জনের মরদেহ উদ্ধার, অনেকেই নিখোঁজ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস আজ সাংবাদিক নির্যাতনের বিরুদ্ধে জেলা ও উপজেলায় কমিটি গঠনের আহ্বান বছর ঘুরে আবারও এলো খুশির ঈদ বাউফলে মাষ্টার মোহাম্মদ ইউনুস বিশ্বাস স্মৃতি ফাউন্ডেশনের উদ্যােগে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের সম্মানি প্রদান কার্যক্রম উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও বাংলাদেশের নির্বাচনী রাজনীতিতে ফেরার পথ খুঁজছে আওয়ামী লীগ
মহাসড়কে আওয়ামী লীগের অস্ত্র নিয়ে মহড়া

মহাসড়কে আওয়ামী লীগের অস্ত্র নিয়ে মহড়া

মহাসড়কে আওয়ামী লীগের অস্ত্র নিয়ে মহড়া

পল্লী জনপদ ডেস্ক ॥

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ঘোষিত লকডাউন কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায় ঢাকা-খুলনা মহাসড়ক ও বরিশাল মহাসড়কের একাধিক স্থানে অবরোধ করে রাখা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) সুয়াদি, পুখুরিয়া ও পুলিয়া এলাকায় ভোর থেকেই আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা ঢাল, তলোয়ার শরকি, রামদা, কাটরা, টেটাসহ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে টায়ার জ্বালিয়ে অবরোধ করে বিক্ষোভ করতে থাকে। এ সময় তারা বিভিন্ন স্লোগান দেন।

এতে ভাঙ্গা ঢাকা এক্সপ্রেসওয়ে ও ফরিদপুর বরিশাল মহাসড়কে সব প্রকার যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে। খবর পেয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন।

এ বিষয়ে ভাঙ্গা হাইওয়ে থানার ওসি রাকিবুজ্জামান জানান, ভাঙ্গায় তিনটি স্থানে সড়ক অবরোধ করে রেখেছেন আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা, আমরা সরানোর চেষ্টা করছি।

এদিকে, দূরপাল্লার বাসগুলোতে যাত্রী সংখ্যা আশঙ্কাজনকভাবে কমে যাওয়ায় টার্মিনালগুলো প্রায় যাত্রীশূন্য পড়ে আছে।

বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) সকালে রাজধানীর যাত্রাবাড়ী, সায়েদাবাদ ও গুলিস্তান এলাকা ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।

সকাল থেকে প্রায় সব ধরনের গাড়ি স্বাভাবিকভাবে চলাচল করছে। যাত্রাবাড়ী ও সায়েদাবাদ টার্মিনালের কাউন্টারগুলো খোলা থাকলেও যাত্রী সংখ্যা ছিল তুলনামূলকভাবে খুবই কম।

ফরিদপুরগামী যাত্রী মোশারফ হোসেন বলেন, ‘জরুরি কাজ থাকায় বের হয়েছি। রাস্তায় গাড়ি অনেক, কিন্তু মনের মধ্যে ভয় কাজ করছে—কখন কী হয় বলা যায় না। এখন আবার গাড়ি পোড়ানোর রাজনীতি শুরু হয়েছে, মানুষের জীবনের দাম যেন নেই।’

গোমতি এক্সপ্রেস-এর সুপারভাইজার আমির হামজা বলেন, ‘যাত্রী নেই বললেই চলে। গত কয়েকদিনে সন্ত্রাসীরা বেশ কিছু গাড়ি পুড়িয়ে দিয়েছে। এতে যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। সকাল থেকে এখনও এক গাড়িরও পুরো যাত্রী হয়নি।’

একই চিত্র দেখা গেছে সায়েদাবাদ টার্মিনাল এলাকাতেও। টার্মিনালে সারি সারি বাস দাঁড়িয়ে আছে, কিন্তু বেশিরভাগই ফাঁকা।

তিশা এক্সপ্রেস-এর সুপারভাইজার নাহিদ হাসান বলেন, ‘সাধারণ দিনে সকাল ৯টার আগেই ১০-১২টা গাড়ি ছেড়ে যায়, আর লাকসাম থেকেও গাড়ি আসে। আজ যাত্রী না থাকায় এখনও কোনো বাস ছেড়ে যায়নি।’

এদিকে রাস্তার মোড়ে মোড়ে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের নজরদারি দেখা গেছে। অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে ছাত্রদলের কর্মীরা মোটরসাইকেল নিয়ে মহড়া দিচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা।

এ ছাড়া প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ সড়কে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর টহল দল মোতায়েন রয়েছে, যাতে কোনো ধরনের নাশকতা বা বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি সৃষ্টি না হয়।

ঢাকা, মুন্সিগঞ্জ, টাঙ্গাইল ও গোপালগঞ্জে বুধবার দিবাগত রাত থেকে আজ বৃহস্পতিবার ভোর পর্যন্ত পাঁচটি যানবাহনে আগুন দেওয়া হয়েছে। এতে হতাহতের কোনো ঘটনা ঘটেনি।

ফায়ার সার্ভিসের নিয়ন্ত্রণ কক্ষের কর্তব্যরত কর্মকর্তা রোজিনা আক্তার আজ সকালে এই তথ্য জানান।

শেয়ার করুন

© All rights reserved © 2017
Developed By

Shipon