আজ শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:০২ অপরাহ্ন

Logo
শিরোনামঃ
লাখো মানুষের গন্তব্য এখন চরমোনাই আসন্ন বাকেরগঞ্জ পৌর নির্বাচনে নারী কাউন্সিলর পদে দোয়া চাইলেন বিএমএসএফ নেত্রী সাবরিনা আক্তার জিয়া ‘ইসরাইলি সেনাবাহিনী ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে’ : ইরানের হামলায় এশিয়ায় ১৩ মার্কিন ঘাঁটি ধ্বংস দৌলতদিয়ায় বাস ডুবি : ২৪ জনের মরদেহ উদ্ধার, অনেকেই নিখোঁজ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস আজ সাংবাদিক নির্যাতনের বিরুদ্ধে জেলা ও উপজেলায় কমিটি গঠনের আহ্বান বছর ঘুরে আবারও এলো খুশির ঈদ বাউফলে মাষ্টার মোহাম্মদ ইউনুস বিশ্বাস স্মৃতি ফাউন্ডেশনের উদ্যােগে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের সম্মানি প্রদান কার্যক্রম উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও বাংলাদেশের নির্বাচনী রাজনীতিতে ফেরার পথ খুঁজছে আওয়ামী লীগ

শুভ হিজরী নববর্ষ ১৪৪৭

শুভ হিজরী নববর্ষ ১৪৪৭

পল্লী জনপদ ডেস্ক ॥

বছর ঘুরে আবার এলো হিজরী নববর্ষ ১৪৪৭। আজ শুক্রবার পয়লা মহররম। হিজরি সনকে এক কথায় ইসলামি সনই বলা যায়।

নতুন বছরে বিগত দিনের গ্লানি, অপ্রাপ্তি, হতাশা, বঞ্চনা ও ব্যর্থতা ঝেড়ে মুছে নতুন স্বপ্ন ও অঙ্গীকারে যেন আমরা ঘুরে দাঁড়াই। যদিও ইসলামে নতুন বছর পালনের কোন অস্তিত্ব নেই, কারন আল্লাহর দেওয়া প্রতিটি দিনই সুন্দর এবং মঙ্গলময়।আসলে, বর্ষপঞ্জি হচ্ছে জীবনের একটা অপরিহার্য প্রসঙ্গের নাম। দিন, মাস আর সনের হিসাব ছাড়া আধুনিক পৃথিবীতে কোনো কাজই চলে না। আমাদের বাংলাদেশে তিনটি বর্ষপঞ্জির ব্যবহার লক্ষ্য করা যায়। সরকারি বেসরকারি দাফতরিক কাজকর্ম, আন্তর্জাতিক যোগাযোগ ও লেনদেনের ক্ষেত্রে ইংরেজি বর্ষপঞ্জি একটা অপরিহার্য মাধ্যম। হিন্দু-সম্প্রদায়ের পূজা-পার্বণ, বিয়ের দিনক্ষণ নির্ধারণ আর কৃষিজীবীদের আবাদি মৌসুমের হিসাব ছাড়া বাংলাদেশে বাংলা পঞ্জিকার ব্যবহার খুব একটা চোখে পড়ার মতো নয়। মুসলমানদের নামাজ, রোজা, হজ, জাকাত, শবেবরাত, শবেকদর, ঈদুল ফিতর, ঈদুল আজহাসহ ধর্মীয় বিষয়াবলীর জন্য হিজরি সনের হিসাব অপরিহার্য। কিন্তু জীবনের প্রাসঙ্গিকতায় ইংরেজি ও বাংলা সনের বিদায় ও বরণে যতটা গুরুত্ব দেয়া হয় হিজরি সনের বেলায় তা মোটেও লক্ষ্য করা যায় না। অথচ হিজরি নববর্ষকে গুরুত্বসহকারে পালন করাই ছিল আমাদের মুসলিম অধ্যুষিত দেশে কাম্য। যেসব উপাদান মুসলিম উম্মাহকে উজ্জীবিত করে তন্মধ্যে হিজরি সন অন্যতম। বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর কৃষ্টি-কালচারে হিজরি সনের গুরুত্ব অপরিসীম।

হিজরি সন গণনার ইতিহাস :

হিজরি সন গণনার সূচনা হয়েছিল ঐতিহাসিক এক অবিস্ময়রণীয় ঘটনাকে উপলক্ষ করে। রাসুল (সা.) এবং তাঁর সঙ্গী-সাথীবর্গের মক্কা থেকে মদিনায় হিজরতের ঐতিহাসিক ঘটনাকে স্মরণীয় করে রাখার জন্যই আরবি মহররম মাসকে হিজরি সনের প্রথম মাস ধরে সাল গণনা শুরু হয়েছিল। আল্লাহর নির্দেশ পালনার্থে তথা দ্বীনের স্বার্থে পবিত্র মক্কা থেকে মদিনায় রাসুল (স.) এবং সাহাবায়ে কেরামগণের হিজরতের বছর থেকেই হিজরি সনের সূচনা।খলিফা হজরত উমর ফারুক (রা.)-এর শাসনামলে ১৬ হিজরি সনে, প্রখ্যাত সাহাবি হজরত আবু মুসা আশআরী (রা.) ইরাক এবং কুফার গভর্নর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। একদা হজরত আবু মুসা আশআরী (রা.) খলিফা উমরের (রা.) খেদমতে এ মর্মে পত্র লিখেন যে, আপনার পক্ষ থেকে পরামর্শ কিংবা নির্দেশ সংবলিত যেসব চিঠি আমাদের নিকট পৌঁছে তাতে দিন, মাস, কাল, তারিখ ইত্যাদি না থাকায় কোনো চিঠি কোনদিনের তা নিরুপণ করা আমাদের জন্য সম্ভব হয় না। এতে করে আমাদের নির্দেশ কার্যকর করতে সমস্যা হয়। অনেক সময় আমরা বিব্রত বোধ করি চিঠির ধারাবাহিকতা না পেয়ে। হজরত আবু মুসা আশআরীর চিঠি পেয়ে হজরত উমর (রা.) এ মর্মে পরামর্শ সভার আহ্বান করেন যে, এখন থেকে একটি ইসলামি তারিখ প্রবর্তন করতে হবে। উক্ত পরামর্শ সভায় হজরত উসমান (রা.) হজরত আলী (রা.) সহ বিশিষ্ট অনেক সাহাবি উপস্থিত ছিলেন। উপস্থিত সকলের পরামর্শ ও মতামতের ভিত্তিতে ওই সভায় ওমর (রা.) সিদ্ধান্ত দেন ইসলামি সন প্রবর্তনের।

ইসলামি সন তথা হিজরি সন মহানবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু তা’আলা আলাইহি ওয়াসাল্লামা মক্কা থেকে মদিনা হিজরতের ঐতিহাসিক তাৎপর্যময় ঘটনার অবিস্মরণীয় স্মারক। ইসলামের দ্বিতীয় খলিফা হযরত ওমর ফারুক রাদ্বিয়াল্লাহু তা’আলা আনহুর খিলাফতকালে এই হিজরি সনের প্রবর্তন করা হয়। বর্ষ গণনার সূত্রপাত কখন থেকে হয় এ নিয়ে মতভেদ থাকলেও অধিকাংশ ঐতিহাসিকদের মতে, বর্ষ গণনার সূচনা হয় প্রাচীন মিসরে অথবা ব্যাবিলনে। আনুমানিক ৪২৪১ [খ্রি.পূ.] সালে সর্ব প্রথম বর্ষ গণনা আরম্ভ হয়। হিজরী সালের মতো চন্দ্র মাস অনুসারেই তখন সময় নির্ণয় করা হতো। পরে সৌর বৎসর গণনার পদ্ধতি প্রবর্তিত হয়। প্রাচীন আরবে যখন মানুষের মধ্যে গোত্রগত বিভাজন ছিল এবং বিভিন্ন গোত্র তাদের নিজস্ব স্বধীনতায় পরিচালিত হতো, তখন সেখানে নানা ধরনের বর্ষ গণনা ছিল।

আরববাসীদের অধিকাংশই ব্যবসায়ী তাই আন্তর্জাতিক সম্পর্কের জন্য তাদের নিকট তখন একটা আন্তর্জাতিক বর্ষ গণনাও ছিলো। যেটা ছিল রোমান সন গণনা। আবার বিস্ময়কর কোন ঘটনাকে কেন্দ্র করেও সময় চিহ্নিত করা হতো। যেমন বহুদিন যাবত ‘আমুল ফীল’ কে কেন্দ্র করে সময় তারিখের হিসাব রাখা হতো। আবরাহার হস্তি বাহিনী আবাবিল পক্ষীর প্রস্তর নিক্ষেপের ফলে যে দিন ধ্বংস হয়েছিলো, সেই দিনকে সমগ্র আরববাসী গুরুত্বপূর্ণ একটি দিন হিসেবে চিহ্নিত করেছিল। হযরত নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর প্রাথমিক চল্লিশ বছর বয়সকাল পর্যন্ত আবরাহার ও তার হস্তি বাহিনীর ধ্বংসের ঘটনাটি সন গণনার মানদণ্ড হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

কখনো কখনো ‘ওকাজের মেলা’ কে সময় গণনার দিক চিহ্ন করা হতো। অর্থাৎ গণনার জন্য সুস্পষ্ট একক কোন পদ্ধতি আরবদের মধ্যে ছিলো না। তবে চন্দ্র মাসের হিসেব ছিলো, এদের মধ্যে চারটি মাস ছিল আরবদের মাঝে অতি সম্মানিত। কিন্তু দিন গণনা এক কথা এবং কাল নির্দেশনা অন্য কথা। এই কাল নির্দেশনার সুস্পষ্ট এবং সুনির্দিষ্ট পদ্ধতির প্রবর্তন ঘটে মদীনা শরীফে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামার হিজরত করার মাধ্যমে। যদিও মদিনায় হিজরতের মধ্যে দিয়ে আরব মুসলমানদের মাঝে এক অভিনব সাল গণনার পদ্ধতি চালু হয়ে আসছে। কিন্তু বর্তমানের মতো এটি সুসংগঠিত রূপ পেতে অনেক সময় লেগেছে। প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামার জীবদ্দশায় এবং হযরত আবু বকর ছিদ্দীকের (রাঃ) খেলাফত কালে হিজরি সালের ব্যবহার আনুষ্ঠানিক ভাবে হয়নি। দ্বিতীয় খলীফা হযরত উমর ফারুক (রাঃ) এর খেলাফতকাল ছিলো ইসলামের বিজয় ও সমপ্রসারণের স্বর্ণযুগ। আরবের সীমা পেরিয়ে রোম ও পারস্য পর্যন্ত ইসলামি বিশ্ব সমপ্রসারনের ফলে নতুন এলাকার কর্মচারী–কর্মকর্তা নিয়োগ করে সদর দফতর হতে বিভিন্ন নির্দেশ সম্বলিত চিঠি ইস্যু করা হতো। কর্মকর্তাগণও প্রয়োজনবোধে খলিফার কাছে দিক নির্দেশনার জন্য চিঠি পাঠাতেন। কিন্তু তাতে সুনির্দিষ্ট সন তারিখ না থাকায় বিপাকে পড়তে হতো। হযরত আবু মুসা আশআরী (রাঃ) একদা এ বলে খলীফা উমরের (রা.) দরবারে নিবেদন করলেন ‘আমীরুল মুমিনীন! আপনার পক্ষ থেকে যে নির্দেশনা আমরা পেয়ে থাকি, তাতে সন তারিখ না থাকায় কোন সময়ের লিখা তা বুঝা যায় না। ফলে নির্দেশ কার্যকর করতে যেয়ে অসুবিধার সম্মুখীন হতে হয়। অতএব, সন তারিখ নির্ধারণ করা দরকার।’ এরপর হযরত উমর (রা.) হিজরিসন প্রবর্তন করেন।

একইভাবে একদিন স্বয়ং খলিফা হযরত উমর (রাঃ) কোন এক মোকদ্দমা সম্পর্কীয় চিঠিতে শুধু শাবান মাস লিখা থাকায় ঘটনার সময় নিরূপন করতে গিয়ে বিপাকে পড়েন। দিন দিন রাষ্ট্র ব্যবস্থার ক্রমোন্নতিতে এ সমস্যাটা আরো তীব্রতর হয়ে উঠলো। মুসলমানদের জন্য নির্দিষ্ট একটা সন তারিখ নির্ধারণের প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করে ১৭ হিজরিতে হযরত উমর (রাঃ) বিশিষ্ট সাহাবীদের নিয়ে এ বিষয়ে এক পরামর্শ সভার আয়োজন করেন। কতিপয় সাহাবী রোম ও পারস্যের ধর্মীয় সমপ্রদায়গুলোর অনুসরণীয় সালকে গ্রহণ করার প্রস্তাব দিলে, অধিকাংশ সাহাবীই এ মত পছন্দ করেননি। তৎকালীন বহুল প্রচলিত যাবতীয় সাল গণনার পদ্ধতি বর্জনে সাহাবীদের মাঝে কোন ধরনের গোঁড়ামী ছিলো না, বরং ইতিহাসের পাতায় দেখা যায় যে, অন্যান্য প্রয়োজনে বিজাতীয় অনেক মতামতকে যথেষ্ট মূল্যায়ন করা হতো তখনকার দিনে। কিন্তু এ ক্ষেত্রে হযরত উমর (রাঃ) ও সাহাবীগণ অনুভব করেছিলেন যে, সাল গণনা প্রত্যেক জাতির জাতীয় অস্তিত্বের একটি মৌলিক ভিত্তি। নিজস্ব সন তারিখ একটি জাতির পূর্ণাঙ্গ ইতিহাস। জাতির উত্থান পতন, জন্ম মৃত্যু, জয় পরাজয়, উন্নতি অগ্রগতির সমুজ্জল ধারাবাহিকতা রক্ষা করে এ সাল।

সূর্যের উদয়–অস্ত যেমন দিন রাতের আগমনী বার্তা নিয়ে আসে, সালের শুরু ও সমাপ্তি তেমনিই ইতিহাস, ঐতিহ্য, কীর্তি, কাহিনি, উপস্থাপন করে জাতিকে নব চেতনায় উজ্জীবিত করে। মূলতঃ যে জাতি নিজেদের পৃথক সন তারিখ সংরক্ষণ করেনি, ক্রমান্বয়ে সংস্কৃতিতে পরাশ্রয়ী হয়ে পড়তে বাধ্য হয়। সুতরাং সাল নির্ধারণের সমসাময়িক যাবতীয় পন্থা বাদ দিয়ে এক অভিনব পদ্ধতির আবিষ্কারের মাঝে আমরা ‘সাহাবীয়ে রাসূল (দঃ) দের প্রজ্ঞা ও দূরদর্শিতার পরিচয় পাই।

পূর্বে উল্লেখ করা হয়েছে যে, যে কোন জাতির যাবতীয় ইতিহাস ও ঐতিহ্যকে এ সন তারিখই এক সূত্রে গ্র্রথিত করে রাখে। এ কথার দিকে ইঙ্গিত করতে গিয়ে আল বেরুনী তাঁর ‘আল আসারুল বাকীয়া’ নামক গ্রন্থে লিখেছেন, “সাধারণতঃ প্রত্যেক জাতি রাষ্ট্রের গোড়াপত্তন, রাজা বা ধর্মীয় নেতার জন্ম মৃত্যু, সম্রাটের অভিষেক, দেশ বিজয়, প্রাকৃতিক বড় ঘটনা ইত্যাদিকে ভিত্তি করে সাল গণনা করা হতো। রোমীয়, ব্যাবেলীয়, খ্রিস্টিয়, ইরানী ও হিন্দুস্থানী ইত্যাদি প্রচলিত প্রাচীন সাল গণনার প্রত্যেকটির সূচনাতে রয়েছে কোন না কোন ঐতিহাসিক ঘটনা। যেমন : সম্রাট ‘বুখতে নছর দ্বারা বাবেলের খ্যাতি বিশ্ব জুড়ে ছড়িয়ে পড়েছিলো, সেজন্য তার জন্ম তারিখ থেকে ‘বাবেলী সনের’ উৎপত্তি। মিসর ত্যাগ করে ইয়াহুদীরা আযাদী লাভ করেছিলো, এ আযাদীর দিনটিই ছিলো তাদের সাল গণনার উৎস। বিজয়ী ইসকান্দরের জন্মানুসারে রোমীয়দের আদিসন ছিলো ‘সনে ইসকান্দরী’ কিন্তু এরিস্টটলের আগমনে রোমীয় সমাজ ও রাষ্ট্র ব্যবস্থায় এক বৈপ্লবিক ধারা সূচিত হয়। ফলে পুরাতন সন বাদ দিয়ে এরিস্টটলের জন্ম দিনকে ভিত্তি করে নতুন সাল গণনা আরম্ভ হয়। খ্রীষ্টীয় সালের প্রারম্ভ হযরত ঈসা (আঃ) এর অলৌকিক জন্ম দিন থেকে। এজন্য এটাকে ‘মীলাদী’ সনও বলা হয়। ভারতবর্ষে বিভিন্ন ভাষা–ভাষী ও পেশাজীবীদের পৃথক পৃথক সন তারিখ প্রচলিত ছিলো। জ্যোতিষীগণ কৃষকদের জন্য নির্ধারণ করতেন ‘ফসলী সন’ এবং রাজা বাদশাদের জন্য ছিলো ‘আদালতী সন’। শেষে রাজা বিক্রমাদিত্যের জন্মানুসারে ‘বিক্রমাব্দ’ প্রচলিত সনই স্থায়ীত্ব লাভ করে। ইরানেও রাজা বাদশাগণ নিজেদের জন্ম তারিখ থেকে নতুন সন চালু করতো।”

কিন্তু বিভিন্ন জাতি গোষ্ঠীর মধ্যে প্রচলিত উল্লেখিত প্রথা সমূহ প্রত্যাখান করে সাহাবীগণ একটা অভিনব পন্থা অবলম্বন করেন। আর তা হচ্ছে মহানবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্ল্ল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর হিজরতকে কেন্দ্র করে হিজরীসাল গণনা শুরু করা।

সাহাবায়ে কেরাম (রা.) যেহেতু দ্বীনে ইসলামের অনুসারীদের তথা মুসলমানদের আদর্শের প্রতীক। তাই সর্বস্তরের মুসলমানদের এ হিজরী সালের প্রতি গুরুত্বারোপ করা উচিত। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য যে বর্তমান মুসলমানরা এ হিজরী সনকে ভুলতে বসেছে। তারা নিজেদের জীবনের সামগ্রিক কর্মকাণ্ডে বিজাতীয় সনকে গুরুত্ব দিচ্ছে।

ইনশাআল্লাহ ১৪৪৭ হিজরী আমাদের সবার জীবনে সুখ, শান্তি, সমৃদ্ধি ও আনন্দের বার্তা নিয়ে আসবে। আমিন, ছুম্মা আমিন।

শেয়ার করুন

© All rights reserved © 2017
Developed By

Shipon